July 14, 2026, 7:39 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করায় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারিকে অব্যাহতি বৃষ্টি বা একটু রোদ হলেই দ্বিগুণ, রিকশা ভাড়ায় সীমাহিন নৈরাজ্য, জিম্মি নগরবাসী ইবিতে একটি বিশেষ ধর্মীয় বাধ্যতামূলক কোর্স নিয়ে বিতর্ক: ঐচ্ছিক করার দাবিতে সনাতনী শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অতিরিক্ত সময়ের জোড়া গোলে সুইজারল্যান্ডকে বিদায়, সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা কুষ্টিয়া শহরের ছাত্রীনিবাসের দিনরাত্রি/ চার দেয়ালের ভেতর স্বপ্নের লড়াই প্রত্যন্ত মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছে দিতে ‘স্বাস্থ্যসেরা বাস’ হস্তান্তর সব স্কুল-কলেজে আইপি সিসিটিভি / ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে তথ্য দিতে মাউশির জরুরি নির্দেশ, না দিলে ব্যবস্থা বিদেশি বিনিয়োগের পতন/ অর্থনীতির জন্য শুধু পরিসংখ্যান নয়, একটি সতর্কসংকেত জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই স্মৃতি’ লাল ব্যাজ কর্মসূচির উদ্বোধন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের ঝুঁকিতে বাংলাদেশের রপ্তানি, সতর্ক করল এডিবি

পেঁয়াজের ভাল দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃষক 

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদকঃ
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পেঁয়াজের বাস্পার ফলন হলেও, দাম কম থাকায় লোকসান গুনতে হচ্ছে সাধারণ কৃষকদের। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পিঁয়াজের চাষ করলেও সেই পিঁয়াজ বিক্রি করে ঋণের টাকা পরিশোধতো দূরের কথা নিজেদের সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে কৃষকদের। উপযুক্ত দাম না পেয়ে পেঁয়াজ চাষের প্রতি অনিহা প্রকাশ করছে চাষীরা।
কৃষকরা জানান, পেয়াজের ফলন ভালো হয়েছে তবে পেঁয়াজ চাষে বীজ, সার, নিরানী, কৃষক মজুরীসহ বিঘাপ্রতি প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে। আর সেই পেঁয়াজ ঘরে উঠানোর পর বিক্রি করতে পারছেন না ২৫হাজার টাকাতেও। এই অবস্থায় বিঘাপ্রতি প্রায় ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। পেঁয়াজ চাষ করে যদি লোকসানের মুখ দেখতে হয় তাহলে পরিশ্রম করে এই ফসল চাষে অনিহা প্রকাশ করেন কৃষকরা। সাধারণ কৃষকদের দাবি পেঁয়াজ চাষে যেই খরচ সেই অনুপাতে পেয়াজের দাম দুইগুন হলে লোকসান থেকে মুক্তি পাবে খেটে খাওয়া সাধারণ কৃষকরা। দাম যদি না বৃদ্ধি করা হয় তাহলে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বছরের পর বছর লোকসানের মুখই দেখতে হবে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে থেকে জানা যায়,  উপজেলায় এ বছর প্রায় ৫হাজার ২০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যেমাত্রা ধরা হয়েছে। আর অর্জিত হয়েছে প্রায় ৫হাজার ২ শ’ ৭০ হেক্টর জমিতে। গতবছরের তুলনায় চলতি বছর পেয়াজের ফলন খুবই ভালো হয়েছে। পেঁয়াজ চাষে যেই খরচ সেই অনুপাতে  দাম দুইগুন করলে লোকসান থেকে রেহাই পাবে কৃষক। আর লাভবান হলে পেঁয়াজ চাষে আরো উৎসাহ বাড়বে কৃষকদের।
কুমারখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার দাস জানান, চলতি বছর পেয়াজের ফলন ভালো হলেও কৃষকরা দাম একটু কম। তবে কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কৃষকদের প্রতি একটা পরামর্শ হলো তারা যাতে যেই পেয়াজগুলো সংরক্ষণ করা যায় তা সংরক্ষণ করে রাখে । ২/৩ মাস পর যখন পেয়াজের দাম একটু দাম বৃদ্ধি পাবে তখন বিক্রি করলে এই ঘাটতি কিছুটা কমবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net