September 22, 2026, 6:46 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়া যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বুধবার আনন্দ মিছিল বিশ্লেষণ/বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে কেন বাড়ল পদ্মার অববাহিকায় ইলিশের আকাল, হাহাকার জেলেদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার হাব স্থাপনের লক্ষ্যে ব্র্যাকের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ও আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন নতুন পে-স্কেল/ স্বস্তির অঙ্কের আড়ালে যে বড় প্রশ্নগুলো ইবিতে ‘সামাজিক সংকট নিরসনে আল-কুরআনের রূপরেখা’ শীর্ষক সেমিনার নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, কার্যকর ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিযুক্ত উপাচার্যদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইউট্যাবের সংবর্ধনা চার বছর পর গড়াইতে ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন, আজ দ্বিতীয় দিন—কাল সমাপনী

অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের ১ মাস/আশানুরূপ কিছু দেখছে না নাগরিক কমিটি

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্র্বতী সরকারের এক মাসের কার্যক্রমে আশানুরূপ তেমন কিছু দেখছে না বলে জানিয়েছে সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমন্বয়ে সদ্য গঠিত জাতীয় নাগরিক কমিটি।
শনিবার বিকালে ডিআরইউতে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এই কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ অন্য নেতারা।
জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসের আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সরকারের এক মাসের কর্মযজ্ঞ পর্যালোচনা করে তেমন আশানুরূপ কিছু দেখছি না।’
সংস্কার প্রসঙ্গে নাসের আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সংস্কার কাজ শুরু হোক, তারপর সময় বেঁধে দেওয়া হবে। সেটা হতে পারে তিন বছর পর্যন্ত।
ছাত্ররাজনীতি থাকবে কি থাকবে না, সেটা ছাত্ররাই সিদ্ধান্ত নেবে। তবে আমরা চাই ছাত্রদের মধ্যে রাজনৈতিক জ্ঞান থাকুক।’
সংবিধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংবিধান আমরা নতুন করে লিখব, আমরা ডিটারমাইন্ড। ৭২ এর সংবিধানে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। সবার সঙ্গে আলোচনা করে নতুন সংবিধান লিখব, সবার মতের রায় থাকবে।’
লিখিত বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন বলেন, মন্দির-মাজার যারা ভাঙছে তাদের বিরুদ্ধে এখনো কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিচ্ছে না, এই প্রশ্ন আমরা সরকারের কাছে রাখছি। আমরা আশা করি, সরকার অতি দ্রুত এসব রুখে দিতে ব্যবস্থা নেবে। তা না করতে পারলে সরকার এবং দেশ উভয়ের জন্য ক্ষতির কারণ হবে।
সামান্তা শারমিন বলেন, একইসঙ্গে যারা এসব কাজে জড়িত, তাদের উদ্দেশ্যে আমরা বলতে চাই, তারা দেশ ও গণঅভ্যুত্থানের শত্রু। ফ্যাসিবাদের বিভিন্ন দেশি-বিদেশি মিত্রশক্তি এই মুহূর্তে গণঅভ্যুত্থানকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। এসব ঘটনা তাদের এই কাজে রসদ যোগাচ্ছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, যারা এসব ঘটাচ্ছে তারা বাংলাদেশের বিপক্ষে দাঁড়াচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি এসব ঘটনার পেছনে কাদের উসকানি আছে তা খতিয়ে দেখার জন্য।
সামান্তা শারমিন বলেন, অভ্যুত্থান রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের। ফলে, যারাই অভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় তাদের সামাজিকভাবে প্রতিহত করুন। সবাইকে মনে রাখতে হবে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অপরাধ। ফলে, যারা মব জাস্টিসসহ নানান কিছুতে অংশগ্রহণ করছে তাদেরও গ্রেফতারের দাবি আমরা জানাচ্ছি। আমাদের মনে রাখতে হবে, বিভিন্ন রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যানারে ফ্যাসিবাদী শক্তির পূর্ণবাসন প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে আমরা সজাগ আছি। একইসঙ্গে এ বিষয়ে জনগণকে সজাগ থাকারও আহ্বান জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net