September 19, 2026, 8:25 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, কার্যকর ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিযুক্ত উপাচার্যদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইউট্যাবের সংবর্ধনা চার বছর পর গড়াইতে ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন, আজ দ্বিতীয় দিন—কাল সমাপনী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে IIER-এর ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত ১৩ বছর বয়সে ভারতে, এক বছর পর ফিরল সন্তান কোলে মৈত্রী পাইপলাইনে ভারত থেকে এলো ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল, এ বছরে আমদানি ৬২ হাজার টন ছাড়াল জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিরোধী অপরাধ/ ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম ও আরাফাতসহ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ড উষ্ণ আলিঙ্গনের আড়ালে ব্রিকসের শীতল হিসাব জালিয়াতির অভিযোগে কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের অনার্স পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তন ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে

দৌলতপুরে পেরেক নির্যাতন: মধ্যযুগীয় বর্বরতা

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যেন ফিরে এলো অমানবিকতার এক অন্ধকার অধ্যায়। পূর্ব শত্রুতার জেরে সুজন আলী (৩২) নামে এক যুবকের ওপর চালানো হয়েছে মধ্যযুগীয় কায়দার নির্মম নির্যাতন। হাত-পা বেঁধে, মুখে গামছা গুঁজে দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেরেক ঢুকিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটি ঘটে গত ২৩ মার্চ সকাল ৯টার দিকে, উপজেলার ধর্মদহ পূর্বপাড়া গ্রামে। সুজন আলী ওই এলাকার উকিল ফকিরের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে নিজ জমিতে কাজ করছিলেন সুজন। ঠিক সেই সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল হামলাকারী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাকে জোর করে আটকে হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়, মুখে গামছা ঢুকিয়ে সম্পূর্ণ অসহায় করে তোলা হয়। এরপর শুরু হয় পাশবিক নির্যাতন—শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেরেক ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র, লোহার হাতুড়ি, রড ও লাঠি দিয়ে চালানো হয় বেধড়ক প্রহার। নির্যাতনের এক পর্যায়ে তাকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় সুজন আলীর দুলাভাই ছানারুল ইসলাম বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে গোলাম কিবরিয়া বিষা (৬৫), তার ছেলে হাসানুর রহমান বাবু (৪২), নাতি মোঃ বাপ্পি (১৯), স্ত্রী পানছুরা খাতুন (৬০), গরুড়া এলাকার মোঃ মদন (৫০) ও তার ছেলে মোঃ মিনার (২৮)-সহ আরও অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর মামা শফিরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, এটি কোনো আকস্মিক হামলা নয়; বরং পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net