May 13, 2026, 2:52 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুর/ব্যয়ের প্রশ্নে অন্য দেশের বাস্তবতা ও আমরা মোটরসাইকেলে নতুন করের প্রস্তাব ছয় দশক ধরে আলোচনায়, সংশয় ও সম্ভবনার পদ্মা ব্যারাজ হামে শিশুমৃত্যু: ৩৫২ পরিবারের জন্য দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট মাদক কারবারীকে ছাড়াতে থানায় চাপ প্রয়োগের চেষ্টা, বিএনপি-জামাতের পাঁচ নেতা আটক, আদালত প্রক্রিয়া নিয়ে গুঞ্জন বিশ্ব মা দিবস/ মায়ের মুখেই পৃথিবীর প্রথম আলো রাজবাড়ীর পেঁয়াজ বাজারে ধলতা বিরোধী অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা বাঙালীকে শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখতে অব্যাহত রাখতে হবে রবীন্দ্র চর্চা পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবীন্দ্রনাথহীন বাঙালি: শেকড়হীন সংস্কৃতির এক নিঃসঙ্গ জাতিসত্তা

মাদক কারবারীকে ছাড়াতে থানায় চাপ প্রয়োগের চেষ্টা, বিএনপি-জামাতের পাঁচ নেতা আটক, আদালত প্রক্রিয়া নিয়ে গুঞ্জন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের কঠোর অবস্থান ঘিরে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৯ মে) রাতে মাদক ব্যবসায়ীর মুক্তির জন্য থানায় এসে পুলিশের ওপর চাপ প্রয়োগের ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ নেতাকে আটক করা হলেও, এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে ৮ পিস ইয়াবাসহ নওদা আজমপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামকে আটক করে আমলা ক্যাম্প পুলিশ। পরে তাকে মিরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। ওই সময় তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় উপস্থিত হন বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ নেতা। তারা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তদবির করেন এবং একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাদের পাঁচজনকেই হেফাজতে নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—এনামুল হক (৪৫), সুজন আলী (৩৩), আলাউদ্দিন (৪৩), শফিকুল ইসলাম (২৫) এবং সাইদুল ইসলাম (৩৯)। তাদের মধ্যে চারজন জামায়াতের নেতা এবং একজন বিএনপি-সমর্থিত ইউপি সদস্য বলে জানা গেছে।
তবে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার রাতেই গ্রেপ্তার দেখানো হলেও এখনো তাদের আদালতে পাঠানো হয়নি। বরং বিষয়টি নিয়ে “নেগোশিয়েশন” চলছে এবং ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে—এমন গুঞ্জনও এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে জনমনে প্রশ্ন ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
এদিকে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, “মাদক মামলার আসামিকে ছাড়ানোর জন্য তারা অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করেন এবং পুলিশের কাজে বাধা দেন। এ কারণে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়িয়ে নিতে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে পুলিশের ওপর চাপ প্রয়োগ অত্যন্ত দুঃখজনক। মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক নেতাদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল ওসির এই অবস্থানকে ইতিবাচক ও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের এ ধরনের কঠোরতা এলাকায় শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net