July 25, 2026, 5:16 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ/ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে স্পিকার দুই দিনে কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ১৩ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ ৮০৩ শিশু মৃত্যূ: সংখ্যার নৈতিক অভিঘাত /মৃত্যুর হিসাব আছে, দায়ের হিসাব কোথায়? ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগ: ২২টি ডাস্টবিন স্থাপন এক মুক্তিযোদ্ধার রাজনৈতিক বৈপরীত্য/গাজী নজরুলের উত্থান, বিতর্ক ও শেষ পরিণতি ভালো ফলন, সন্তোষজনক দামে চাঙা পশ্চিমাঞ্চলের পাটের বাজার কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসায় ঘুমিয়ে থাকা শিশুকে বলাৎকার/ হুজুর বলল ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ ইবি উপাচার্যের সঙ্গে IEEE স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সৌজন্য সাক্ষাৎ যশোর-বেনাপোল ডাবল রেললাইন প্রকল্প/আমদানি-রপ্তানি ও বাংলাদেশ-ভারত রেল যোগাযোগে নতুন গতি প্রত্যাশা নারীর সঙ্গে জামাত এমপির ভাইরাল ভিডিও বিতর্ক: কী বলছে ফ্যাক্ট-চেক, কী বলছে জামায়াত

সংস্কারের নামে অর্থ অপচয়/ স্থায়ী সংস্কারের জন্য কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ করে দিলেন মেয়র

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
বারবার সংস্কারের নামে সরকারী অর্থ অপচয়ের প্রতিবাদ করে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন কুমারখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র মো. সামছুজ্জামান অরুন। তিনি স্থায়ী সমাধান চান বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে মহাসড়কের কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন গোলচত্বর এলাকায় গিয়ে সংস্কার কাজ বন্ধ করে দেন তিনি।
জানা গেছে, ১৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ওই আঞ্চলিক মহাসড়কটি নির্মাণ করার দায়িত্ব পান মেহেরপুর জেলার ঠিকাদার জহুরুল ইসলাম কনস্ট্রাকশন। যখন থেকে নির্মাণ কাজ শুরু হয় তখন থেকেই সড়কের কাজে নানা ধরনের অনিয়ম চোখে পড়ে। এটা নিয়ে ঐ সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনাও উঠে। পরে নির্মাণ কাজ শেস হবার ৬ মাসের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন অংশ দেবে যায়। কোথাও দেখা দেয় ফাটল।
এ অবস্থায় ২০১৮ সালে সড়কটির পুনর্র্নিমাণ হয়। সড়কটি দেবে গেলে ২০২০ সালের জুন মাসে প্রথম সংস্কার কাজ শেষ করে ঠিকাদার। ২০২১ সালে জুন মাসে ফের দেবে যাওয়া অংশ সংস্কার করা হয়। ২০২২ সালে কয়েকবার একইস্থানে আবার সরু খাল ও গর্ত সৃষ্টি হলে তা সংস্কার করা হয়। সর্বশেষ ৪ মে সংস্কার কাজ করা হয়। বর্তমানেও একই স্থানগুলো দেবে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
মেয়র সামছুজ্জামান অরুন বলেন, বার বার একই জায়গায় সড়ক দেবে যাচ্ছে, আর সড়ক বিভাগ সংস্কার করছে। এতে সরকারি টাকার অপচয় হচ্ছে। আবার বার বার জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এবারও যেনতেনভাবে সংস্কার কাজ চলছিল। স্থায়ী সমাধানের জন্য এ কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।
কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সেলিম আজাদ খাঁন বলেন, ঝুঁকি এড়াতে ও চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শ্রমিক দিয়ে দেবে যাওয়া অংশের সংস্কার কাজ শুরু করি। কিন্তু মেয়র কেন কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তা বুঝতে পারছি না। মেয়রের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য কর্মকর্তা পাঠিয়েছি।
স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে প্রকৌশলী আরও বলেন, স্থায়ী সমাধানে ইস্টিমেট প্রস্তুত করেছি। এখন শুধু দরপত্র আহ্বানের পালা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net