July 28, 2026, 2:10 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার নিয়োগের অধিকার বনাম জনগণের প্রত্যাশা /সমন্বয় সাধনই সর্বোত্তম পন্থা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপ- উপাচার্য ও ট্রেজারার, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অভিনন্দন পদ্মা সেতুতে ইলেকট্রনিক টোল আদায় ১০ কোটি টাকা ছাড়াল, বাড়ছে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা গাংনী বাসস্ট্যান্ডে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে পুঁজি করে এগিয়ে যাচ্ছেন কুষ্টিয়ার নারী উদ্যোক্তারা ইউনুসের ৭ হাজার নতুন মাল্টিমিলিয়নেয়ার হিসাব, নৈতিক রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি এবং ক্ষমতার সমাজতত্ত্ব স্থানীয় সরকার নির্বাচন/গণতন্ত্রের নতুন পরীক্ষা চলমান প্রকল্পের কাজ সরকারি বিধি অনুসারে নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে হবে: ইবি উপাচার্য রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ/ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে স্পিকার

পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পড়াচ্ছেন কলেজ ছাত্রী জেসমিন

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক:
করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঘরে বসে কেউ কেউ অনলাইনে ক্লাস করছে।  তবে বাড়িতে টিভি ও স্মার্টফোনের ব্যবস্থা না থাকায় অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা হচ্ছে না সেভাবে। ফলে ক্রমশ লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়ছে তারা। এই এমন  পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পড়াচ্ছেন এক কলেজ ছাত্রী। সেই কলেজ ছাত্রীর নাম জেসমিন যুথী। তিনি উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত মনোহারপুর গ্রামের বাসিন্দা ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্রী।
সরেজমিন গেলে এলাকাবাসী জানায়, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সরকার চালু রেখেছে অনলাইন ক্লাস। কিন্তু প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের দুস্থ ও অসহায় অনেক শিক্ষার্থীর নেই স্মার্ট ফোন ও টেলিভিশন। ফলে করোনাকালীন সময়ে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার আলো থেকে। আবার অনেকের স্মার্ট ফোন থাকলেও নেটওয়ার্কজনিত কারনে বন্ধ থাকে ক্লাস। ফলে এই অঞ্চলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছেন জ্ঞানার্জনে। বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার আলো থেকে। তারা আরও জানায়, এখানকার দুস্থ, অসহায়, মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যেন পিছিয়ে না পড়ে জ্ঞানার্জনে। সেই লক্ষ্যে জেসমিন যুথি নিজ উদ্দেগ্যে শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। যুথি বাড়ির আম বাগানে প্রতিদিন দুপুরে শারিরীক দুরুত্ব বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান করাচ্ছে। স্কুল বন্ধ থাকায় এখানে নিয়মিত পাঠদান করতে পেরে অনেক খুশি শিক্ষার্থীরা। যুথির আম বাগানে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী আসে পড়াশোনা করতে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, করোনায় স্কুল বন্ধ। বাড়িতে টিভি ও স্মার্ট ফোন নেই। তাছাড়া টিভিতে পড়তে ভাল লাগেনা। এখানে যুথি আপা পড়ায়। আমরা প্রতিদিন পড়তে আসি। খুব ভাল লাগে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা বলেন, করোনার কারনে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ। সন্তানেরা ঘরে বসে থাকায় পড়া শোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ছিল। তাদের পড়াশোনার প্রতি অনিহা হয়ে পড়ছিলো।আমাদের যুথি এখানে নিয়িমিত পড়াশোনা করাচ্ছে। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার প্রতি ভালো আগ্রহ ও মনোযোগ বেড়েছে। এতে আমরাও অনেক খুশি।
এলাকার সচেতনমহল বলেন, এই উদ্যোগে এলাকাবাসীও খুব খুশি। যুথি এলাকার কমলমতি শির্ক্ষাথীদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এতে এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে। করোনার কারনে লকডাউনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে ঝরে যাওয়া মেধা বিকাশে সাহায্যে করছে।
চাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদুজ্জামান তুষার বলেন, যুথির এমন মহৎ উদ্যোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে উদ্যোগটি ভাল। কিন্তু করোনার বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net