June 13, 2026, 6:29 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, শূন্যরেখায় অবস্থান বিজিবি–বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন: ১১ সিদ্ধান্তে শান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-ভারত জনগণের সম্পর্ক আমার একমাত্র অগ্রাধিকার: দীনেশ ত্রিবেদী তিন লাল কার্ডের নাটকীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু মেক্সিকোর প্রস্তাবিত বাজেটে ফিরল অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাজেট কমলেও এগোচ্ছে ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’, বাস্তবায়ন হবে ৭ বছরে শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময়সূচি ঘোষণা চিকিৎসা-সেবা-বাণিজ্য/ আদ-দীন বিতর্ক প্রশ্ন তুলছে স্বাস্থ্যসেবার বাজারে রোগীর অবস্থান কোথায়? ঝিনাইদহ/যখন একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই ‘গুরুতর অসুস্থ’ হয়ে পড়ে! ইউনূস সরকারের সময়কার অধ্যায় পেরিয়ে নতুন সম্পর্কের দিকে ঢাকা-দিল্লি : তথ্য উপদেষ্টা

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় মৃত্যু ২, শনাক্তের হার ২২.৫১ শতাংশ

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ২৪ ঘণ্টায় ১৬৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে, শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৫১। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঝিনাইদহ ও খুলনায় দুজন মারা গেছেন।
শনিবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুরুল মুরশিদ স্বাক্ষরিত করোনা– সংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। গতকাল নমুনা পরীক্ষা কম হওয়ায় রোগী শনাক্তের সংখ্যাও কমেছে। বিভাগের চার জেলায় কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে মোট ৭২৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, বাসা ও হাসপাতাল মিলিয়ে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। বর্তমানে বিভাগে করোনার রোগী আছেন ২ হাজার ৯৪৫ জন। এর মধ্যে ১০৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং বাকিরা বাসায়।
গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগীর মধ্যে খুলনায় ৬০ জন, ঝিনাইদহে ১৮, কুষ্টিয়ায় ৮১, নড়াইলে ৩, চুয়াডাঙ্গায় ১ জন রয়েছেন। বাগেরহাট, যশোর, মাগুরা ও সাতক্ষীরায় কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি। বিভাগের মধ্যে ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ায় শনাক্ত ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ করে।
বিজ্ঞাপন
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায়, ২০২০ সালের ১৯ মার্চ। এখন পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৫ হাজার ৫৭২। করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিভাগে মারা গেছেন ৩ হাজার ২০০ জন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক মো. মুনজুরুল মুরশিদ বলেন, করোনার সংক্রমণ ক্রমাগত হারে বাড়ছে। মাস্ক পরতে হবে, ভিড় এড়িয়ে চলার পাশাপাশি টিকা নিতে হবে।
খুলনা ২০০ শয্যা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাবিবুর (৭০) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর শুক্রবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের ১৭ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এরমধ্যে রেড জোনে আটজন এবং ইয়েলো জোনে ৯ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net