March 4, 2026, 2:31 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
১০ মার্চ থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ/পাইলট প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ আদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল রোজার কারনে এ বছর সংক্ষিপ্ত লালন স্মরণোৎসব তেহরানে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, ১ মাস অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের লাখ টাকার ল্যাপটপ দাবি/ কুষ্টিয়ার খোকসা ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ, হুমকিতে ব্যবসায়ী খামেনি নিহত, ‘সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক হামলার’ ঘোষণা আইআরজিসির, সরকার বদল পর্যন্ত হামলা চলবে : ট্রাম্প বড় যুদ্ধের শঙ্কা, ইরানর পাল্টা হামলা শুরু ঈশ্বরদীতে দাদির ও নাতনির বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার নিলুফার রহমান এ্যানীর দাফনের সময়সূচি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষিরা সীমান্তবর্তী এলাকা

গত বছরের তুলনায় পানি প্রবাহ বেশী/হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পানি পর্যবেক্ষণ শুরু

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি অনুযায়ী দুদেশের পদ্মা ও গঙ্গায় যৌথভাবে পানি পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে।
সূত্র জানায়, এবার বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা গত বছরের তুলনায় বেশী ছিল। বুধবার সকাল ৯টায় পাবনার ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্ট ও ভারতের গঙ্গার ফারাক্কা পয়েন্টে দুদেশের প্রতিনিধি দল এ পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। এ সময় সেখানে পানির পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ৮৫ সেন্টিমিটার। গত বছর এদিনে ছিল ৫ দশমিক ৬২ সেন্টিমিটার।
ভারতীয় টিমের কর্মকর্তারা হলেন- ভারতের সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মুক্তালিও ফাংলিন ও সহ-পরিচালক রিতেশ কুমার।
তিন সদস্যের বাংলাদেশ টিমে রয়েছেন- উত্তরাঞ্চলীয় পানি বিজ্ঞান পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোফাজ্জল হোসেন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইলিয়াস হোসেন।
পর্যবেক্ষণ টিমের সদস্যরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা রেস্ট হাউসে অবস্থান করছেন
বিষয়টি নিশ্চিত করেন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে কর্তব্যরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইলিয়াস হোসেন।
১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পানি চুক্তির পর থেকে প্রতিবছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এ পর্যবেক্ষণ চলে। চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ফারাক্কা পয়েন্ট ও বাংলাদেশের হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পর্যবেক্ষণ চলে থাকে।
প্রকৌশলী ইলিয়াস হাসেন জানান, চলতি বছর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। গত বছর এ সময়ে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ ছিল ৭৮ হাজার ৫শ’ কিউসেক। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ছিল ৮৫ হাজার কিউসেক।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রথম ১০ দিন ফারাক্কায় ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানির প্রবাহ থাকলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়েই ৫০ শতাংশ করে পানি পাবে। দ্বিতীয় ১০ দিন, ফারাক্কা পয়েন্টে ৭০ হাজার কিউসেক পানিপ্রবাহ থাকলে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে। তৃতীয় ১০ দিন ফারাক্কা পয়েন্টে ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি পানিপ্রবাহ থাকলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক পানি, বাকিটা পাবে বাংলাদেশ।
তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ১১ মার্চ থেকে ১০ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশ ৩ দফা ১০ দিনের হিসাবের ক্রমানুসারে ৩৫ হাজার কিউসেক করে পানি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net