July 20, 2026, 12:49 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের রাজনীতিকরণ: রাষ্ট্রের নীরব ক্ষয়, গণতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি সংকট স্পেনের বিশ্বজয়, আর্জেন্টিনার স্বপ্নভঙ্গ: বিশ্বফুটবলের নতুন যুগের সূচনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর পুনর্ভর্তি ফি শিক্ষার্থীর ন্যায়বিচার লঙ্ঘন করছে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া/ গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পন্নের সময় বাড়ল, শেষ সুযোগ ২১ জুলাই লোকসানি রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের শেয়ারদর এক সপ্তাহে বেড়েছে ২৭% খোকসায় মাদক ব্যবসার টাকা ভাগ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জোড়া খুন, আহত ১ সাজিদ আব্দুল্লাহর ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে ইবিতে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ শেষ সাত মিনিটে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা মেধা, অনুভূতি ও আবেগকে কাজে লাগিয়ে দেশ-জাতি গঠনে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে’ — ইবি উপাচার্য মিনিকেট মিথ/প্রতারণার পালিশে হারিয়ে যাচ্ছে পুষ্টি (দ্বিতীয় পর্ব)

গত বছরের তুলনায় পানি প্রবাহ বেশী/হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পানি পর্যবেক্ষণ শুরু

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি অনুযায়ী দুদেশের পদ্মা ও গঙ্গায় যৌথভাবে পানি পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে।
সূত্র জানায়, এবার বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা গত বছরের তুলনায় বেশী ছিল। বুধবার সকাল ৯টায় পাবনার ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্ট ও ভারতের গঙ্গার ফারাক্কা পয়েন্টে দুদেশের প্রতিনিধি দল এ পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। এ সময় সেখানে পানির পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ৮৫ সেন্টিমিটার। গত বছর এদিনে ছিল ৫ দশমিক ৬২ সেন্টিমিটার।
ভারতীয় টিমের কর্মকর্তারা হলেন- ভারতের সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মুক্তালিও ফাংলিন ও সহ-পরিচালক রিতেশ কুমার।
তিন সদস্যের বাংলাদেশ টিমে রয়েছেন- উত্তরাঞ্চলীয় পানি বিজ্ঞান পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোফাজ্জল হোসেন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইলিয়াস হোসেন।
পর্যবেক্ষণ টিমের সদস্যরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা রেস্ট হাউসে অবস্থান করছেন
বিষয়টি নিশ্চিত করেন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে কর্তব্যরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইলিয়াস হোসেন।
১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পানি চুক্তির পর থেকে প্রতিবছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এ পর্যবেক্ষণ চলে। চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ফারাক্কা পয়েন্ট ও বাংলাদেশের হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পর্যবেক্ষণ চলে থাকে।
প্রকৌশলী ইলিয়াস হাসেন জানান, চলতি বছর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। গত বছর এ সময়ে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ ছিল ৭৮ হাজার ৫শ’ কিউসেক। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ছিল ৮৫ হাজার কিউসেক।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রথম ১০ দিন ফারাক্কায় ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানির প্রবাহ থাকলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়েই ৫০ শতাংশ করে পানি পাবে। দ্বিতীয় ১০ দিন, ফারাক্কা পয়েন্টে ৭০ হাজার কিউসেক পানিপ্রবাহ থাকলে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে। তৃতীয় ১০ দিন ফারাক্কা পয়েন্টে ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি পানিপ্রবাহ থাকলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক পানি, বাকিটা পাবে বাংলাদেশ।
তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ১১ মার্চ থেকে ১০ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশ ৩ দফা ১০ দিনের হিসাবের ক্রমানুসারে ৩৫ হাজার কিউসেক করে পানি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net