December 10, 2025, 6:24 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মানবাধিকার দিবসে তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি: প্রতিশোধের রাজনীতি নয়, সমাধানের পথে বিএনপি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ ফাতেমী আহমেদ রুমির কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন তারেক রহমান বুধবার সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা সৌদি আরবে মদ বিক্রি শুরু, ২০২৬ সালের মধ্যে আরও নতুন মদের দোকান খোলার পরিকল্পনা ৮১টি দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দিল নির্বাচন কমিশন জন নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থে কঠোর অবস্থানের বার্তা কুষ্টিয়ার নবাগত পুলিশ সুপারের ১২ ফেব্রুয়ারি সম্ভাব্য ধরে দ্রতগতিতে এগোচ্ছে নির্বাচনের প্রস্তুতি কুষ্টিয়ায় দুর্বৃত্তের গুলিতে কৃষক নিহত, আহত আরও দুইজন ৮ কুকুরছানা পানিতে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগে পাবনার সেই নারী গ্রেপ্তার দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

আজ পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আজ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিভীষিকাময় ও শোকাবহ দিন। ১৬ বছর পর এ দিবসটি আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি ভিন্ন পরিবেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন হতে যাচ্ছে। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ঢাকার পিলখানা সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ নিহত হন।
সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ গুম এবং পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতন চালানো হয়। দেশের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা ওই নৃশংস ঘটনাকে দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর প্রথম বড় ধরনের আঘাত হিসেবেই মূল্যায়ন করে থাকেন। অন্তর্র্বতী সরকারেরও মূল্যায়ন, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধেও বাংলাদেশ একসঙ্গে এত জন সেনা কর্মকর্তাকে হারায়নি।
এই ভয়াবহ ঘটনায় স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় শপথ গ্রহণকারী দেশের সুরক্ষা কবচ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হারায় তার মেধাবী ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের, যা সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর মনোবলে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এ দিনটি শুধু বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নয়, পুরো জাতির জন্যই শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক।
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে।
দিনটিকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করার প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, হৃদয়বিদারক এবং শোকাবহ দিনটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা সময়ের চাহিদা।
প্রতিবছর দিনটি যথাযথ মর্যাদায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হলে সেনা সদস্যদের আত্মত্যাগকে জাতীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে, যা শহীদ পরিবারগুলোর অন্তরে সান্ত্বনাবোধ তৈরি করবে। এই দিবসের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও আত্মত্যাগের মানসিকতা জাগ্রত করবে। এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে সেনাবাহিনীর অবদান এবং আত্মত্যাগ সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। অপরদিকে এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের মাধ্যমে সর্বস্তরের সেনা সদস্যদের মধ্যে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও পেশাগত দায়িত্বের প্রতি আরো অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের আত্মত্যাগ থেকে শক্তি নিয়ে সেনা সদস্যরা জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি আরো দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net