February 11, 2026, 2:33 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
প্রচার শেষ, ভোটের অপেক্ষায় দেশ/কঠোর বিধিনিষেধে থেমেছে নির্বাচনী প্রচারণা ব্যালটে সমতা, ক্ষমতায় বৈষম্য: নারী ভোটারদের শক্তি ও রাজনৈতিক বাস্তবতার দ্বন্দ্ব কূটনীতি, ক্রিকেট ও দ্বৈত মানদণ্ড: আইসিসি সিদ্ধান্তে প্রশ্নে বাংলাদেশ–পাকিস্তান খুলনার বেশ কয়েকটি আসনে বিদ্রোহীরা বিএনপিকে চাপে রাখছে, জামায়াত তুলনামূলক স্বস্তিতে কুষ্টিয়া কারাগারে হাজতির অস্বাভাবিক মৃত্যু, পুলিশ বলছে আত্মহত্যা বিএনপি-জামাতের ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা গড়াই নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্রের বার্ষিক বনভোজন ও সাহিত্য আড্ডা রয়টার্সকে তারেক রহমান/ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠন করবে না বিএনপি ২০২৬ সালের একুশে পদক পেলেন নয় ব্যক্তি ও এক ব্যান্ড হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন/ গুম কমেছে, কিন্তু গণগ্রেপ্তার ও জামিন বঞ্চনা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

৪ শতাংশ জমির জন্য বাবার লাশ উত্তোলন, কুষ্টিয়ায় রহস্যময় হত্যার অভিযোগ

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দাফনের প্রায় ৬ মাস পর এক ব্যক্তির মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তি সোহেল শেখ (৪৮), যিনি একই এলাকার মৃত শাহাদত শেখের ছেলে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে কয়া ইউনিয়নের কালোয়া শেখপাড়া কবরস্থান থেকে আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলন করা হয় এবং কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
হত্যার অভিযোগ ও পটভূমি/
মামলার বাদী, সোহেলের ছেলে সোহানুর রহমান, অভিযোগ করেছেন যে, ৪ শতাংশ জমি লিখে নেওয়ার জন্য তার দাদি নুরজাহান, ফুফু জরিনা খাতুন, ফুফা আজাহার এবং দুই ফুফাতো ভাই জীবন ও শিপন যোগসাজশ করে তার বাবাকে বিষ প্রয়োগ ও শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করেছেন। ওই জমির বাজার মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা। হত্যার পর দ্রুত দাফন সম্পন্ন করা হয়।
নিহতের ফুফা মো. আজাহার দাবি করেন, সোহেল দীর্ঘদিন প্যারালাইজড ও বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। ঢাকায় থাকা তার ছেলে ও স্ত্রী নিয়মিত খোঁজ খবর নিতেন না। সেহেতু সোহেল ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমিটি তার মায়ের নামে রেজিস্ট্রি করেছিলেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, ২০২৩ সালে স্ট্রোকের কারণে সোহেল প্যারালাইজড হয়ে পড়েন। ঢাকার চিকিৎসা শেষে তাকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। ২০২৫ সালের ৬ জুন তিনি মারা যান এবং স্থানীয়দের সহায়তায় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মামলার তদন্ত/
১৬ জুলাই সোহানুর রহমান কুমারখালী আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেলের মা ও বোনসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়। মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকেন পিবিআই পুলিশের পরিদর্শক (নি.) মো. কামাল হোসেন, যিনি মরদেহ উত্তোলনের জন্য ২৭ আগস্ট আদালতে আবেদন করেন। ৭ ডিসেম্বর আদালত মরদেহ উত্তোলনের আদেশ দেন।
সোহানুর রহমান বলেন,
“মাত্র ৬ লাখ টাকার জমির জন্য আমার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সঠিক বিচারের আশায় মামলা করেছি।”
পরিদর্শক কামাল হোসেন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাভিদ সারওয়ার জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net