April 30, 2026, 7:12 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কৃষকের ন্যায্য অধিকার ফেরাতে/রাজবাড়ীর পেঁয়াজ বাজারে ‘ধলতা’ বিরোধী অভিযান ‘জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা/ ঢাকায় ৪ আটক: অস্ত্র, ড্রোন ও উগ্রবাদী বই উদ্ধার সৌন্দর্যের নামে বিশৃঙ্খলকে বরণ/ কুষ্টিয়ার প্রধান মোড়ে বকের মূর্তি ও নগর পরিকল্পনার সংকট সামনে ঈদ, বাড়ছে শঙ্কা, সংকট তৈরি হওয়ার পর ব্যবস্থা নেয়ার প্রবণতায় বিশৃঙ্খল সয়াবিন তেলের বাজার রুপপুর/একটি নতুন যুগের অপেক্ষায় বাংলাদেশ কুষ্টিয়ায় একতা হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক পুলিশ হেফাজতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং উদ্বোধন আজ, পরমাণু বিদ্যুতের যুগে বাংলাদেশ যশোরে প্রধানমন্ত্রী/নারীদের এলপিজি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা, উলশীতে ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন হাইকোর্টে ৭ সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন আমির হামজা হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়েছেন আমির হামজা, আজ শুনানী হতে পারে

মজুত জ্বালানি/ ডিজেল ১১ দিন, পেট্রল ১২ দিন, অকটেন ২৫ দিন—প্রধান উৎস ভারত, চীন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
বাংলাদেশে বর্তমানে মজুত থাকা জ্বালানি তেল দিয়ে সীমিত সময়ের জন্য চাহিদা মেটানো সম্ভব হলেও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, দেশে এই মুহূর্তে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টন ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে।
বিপিসির হিসাব অনুযায়ী, এই মজুত দিয়ে— ডিজেল: প্রায় ১১ দিন, পেট্রল: প্রায় ১২ দিন, অকটেন: প্রায় ২৫ দিন, দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ১০০ শতাংশই আমদানিনির্ভর। এর মধ্যে অপরিশোধিত ও পরিশোধিত—দুই ধরনের তেলই বিদেশ থেকে আসে।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশের মোট তেল আমদানির প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, যা মূলত সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সরবরাহ করে। এই তেল পরিবহনের প্রধান পথ হলো হরমুজ প্রণালি, যা বর্তমানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
অন্যদিকে, দেশের ব্যবহৃত ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল আসে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে। এর মধ্যে প্রধান উৎস—ভারত, চীন , সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া। এই দেশগুলো থেকেই নিয়মিতভাবে ডিজেল, পেট্রল ও অকটেন আমদানি করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হলে বিশ্ববাজারে দাম দ্রুত বাড়তে পারে এবং সরবরাহেও অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে।
গ্যাস সরবরাহেও চাপ/
তেলের পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশে বছরে প্রায় ৬০ লাখ টন এলএনজি আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ টন আসে কাতার থেকে, আর বাকিটা আসে ওমান ও স্পট মার্কেট থেকে।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে কাতারের গ্যাস উৎপাদন ব্যাহত হলে শিল্প ও কৃষি খাতে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিকল্প উৎস খোঁজার তাগিদ/
বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য সংকট এড়াতে এখন থেকেই বিকল্প উৎস নিশ্চিত করা জরুরি। প্রয়োজনে বেশি দামে হলেও স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি কিনতে হতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরবরাহ উৎস বৈচিত্র্য ও কৌশলগত মজুত বাড়ানো না গেলে ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net