June 17, 2026, 11:31 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
হঠাৎ মন্ত্রীর আগমন, উন্মোচিত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাপের আক্রমণ বাড়ছে, ২ সপ্তাহে কামড় ৮ জনের, মৃত্যু ১ মেসির হ্যাটট্রিকে দাপুটে জয়, বিশ্বকাপ অভিযান শুরু আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় সরকার—তথ্যমন্ত্রী তীব্র ইস্যুতে সংসদে বিরোধী দলের নীরবতা: কৌশল, সীমাবদ্ধতা নাকি দায়িত্বহীনতা? হত্যা মামলায় জামিন পেলেন অধ্যাপক আবুল বারকাত, কারামুক্তিতে বাধা নেই কুষ্টিয়ায় চিকিৎসকের অপেক্ষায় তালাবদ্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সেবা না পেয়ে ফিরে যান গ্রামের মানুষ তদন্তে মেলেনি জামায়াত নেতার জমির দাবির সত্যতা, সামনে এলো চাঁদা দাবির অভিযোগ পুশইন-পুশব্যাক/ সীমান্তে মানবিক সংকট, কূটনৈতিক উদ্যোগই সমাধানের পথ শূন্যরেখায় তিন দিন আটকে থাকা ১২ জনকে পতাকা বৈঠকের পর ফেরত নিয়েছে বিএসএফ

মজুত জ্বালানি/ ডিজেল ১১ দিন, পেট্রল ১২ দিন, অকটেন ২৫ দিন—প্রধান উৎস ভারত, চীন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
বাংলাদেশে বর্তমানে মজুত থাকা জ্বালানি তেল দিয়ে সীমিত সময়ের জন্য চাহিদা মেটানো সম্ভব হলেও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, দেশে এই মুহূর্তে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টন ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে।
বিপিসির হিসাব অনুযায়ী, এই মজুত দিয়ে— ডিজেল: প্রায় ১১ দিন, পেট্রল: প্রায় ১২ দিন, অকটেন: প্রায় ২৫ দিন, দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ১০০ শতাংশই আমদানিনির্ভর। এর মধ্যে অপরিশোধিত ও পরিশোধিত—দুই ধরনের তেলই বিদেশ থেকে আসে।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশের মোট তেল আমদানির প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, যা মূলত সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সরবরাহ করে। এই তেল পরিবহনের প্রধান পথ হলো হরমুজ প্রণালি, যা বর্তমানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
অন্যদিকে, দেশের ব্যবহৃত ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল আসে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে। এর মধ্যে প্রধান উৎস—ভারত, চীন , সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া। এই দেশগুলো থেকেই নিয়মিতভাবে ডিজেল, পেট্রল ও অকটেন আমদানি করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হলে বিশ্ববাজারে দাম দ্রুত বাড়তে পারে এবং সরবরাহেও অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে।
গ্যাস সরবরাহেও চাপ/
তেলের পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশে বছরে প্রায় ৬০ লাখ টন এলএনজি আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ টন আসে কাতার থেকে, আর বাকিটা আসে ওমান ও স্পট মার্কেট থেকে।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে কাতারের গ্যাস উৎপাদন ব্যাহত হলে শিল্প ও কৃষি খাতে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিকল্প উৎস খোঁজার তাগিদ/
বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য সংকট এড়াতে এখন থেকেই বিকল্প উৎস নিশ্চিত করা জরুরি। প্রয়োজনে বেশি দামে হলেও স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি কিনতে হতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরবরাহ উৎস বৈচিত্র্য ও কৌশলগত মজুত বাড়ানো না গেলে ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net