June 21, 2026, 7:05 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
অনুকূল পরিবেশ হলে ভারত যাবেন প্রধানমন্ত্রী/বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বাস্তবতায় একটি নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ যশোরে বিজিবির অভিযানে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ দুই চোরাকারবারি আটক ইবিতে সচেতন খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়ায় এসবি বাস দুর্ঘটনার তদন্ত/ বাসের যান্ত্রিক ত্রুটি, ফিটনেস না থাকা, ঘাট অব্যবস্থাপনা দায়ী হঠাৎ মন্ত্রীর আগমন, উন্মোচিত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাপের আক্রমণ বাড়ছে, ২ সপ্তাহে কামড় ৮ জনের, মৃত্যু ১ মেসির হ্যাটট্রিকে দাপুটে জয়, বিশ্বকাপ অভিযান শুরু আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় সরকার—তথ্যমন্ত্রী তীব্র ইস্যুতে সংসদে বিরোধী দলের নীরবতা: কৌশল, সীমাবদ্ধতা নাকি দায়িত্বহীনতা? হত্যা মামলায় জামিন পেলেন অধ্যাপক আবুল বারকাত, কারামুক্তিতে বাধা নেই

জাতীয় নির্বাচন/কুষ্টিয়ার ১টিসহ ৪১ প্রার্থীর ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ, আইনি যুদ্ধে উত্তপ্ত রাজনীতির পিছনপর্দা

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের বৈধতা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন আইনি পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পরাজিত ও অসন্তুষ্ট প্রার্থীরা নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করছেন।
এ পর্যন্ত মোট ৪১টি রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি বিএনপি প্রার্থীর, ১৩টি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর, ২টি জোটের শরিক দলের প্রার্থীর এবং ১টি স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া-৪ আসনের একটি আবেদন রয়েছে। আবেদনকারী বিএনপির পরাজিত প্রার্থী সৈংদ মেহেদী আহমদ রুমী।
পিটিশনগুলিতে মূল অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ভোট কারচুপি, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং পদ্ধতিগত লঙ্ঘন।
হাইকোর্ট পিটিশনগুলোর প্রাথমিক শুনানি শেষে তা গ্রহণ করেছে। আদালত নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ—ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। আইন বিশেষজ্ঞরা এই পদক্ষেপকে প্রমাণ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।
হাইকোর্ট এসব পিটিশনের বিস্তারিত শুনানি এপ্রিল, মে এবং জুন মাসে বিভিন্ন তারিখে করবেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতান মাহমুদ বান্না জানিয়েছেন, সাক্ষী ও প্রমাণ পরীক্ষা শেষে আদালত রায় দেবেন। তবে এই প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় নিতে পারে।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচনে বড় ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে আদালত সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুনঃনির্বাচন বা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করতে পারেন। হাইকোর্টের রায় চূড়ান্ত না হলে পরাজিত প্রার্থীদের সুপ্রিম কোর্টে আপিলের সুযোগ থাকবে।
বৃহত্তর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এসব পিটিশন শুধু আইনি লড়াই নয়—বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরীক্ষা হিসেবে দেখা হবে। ফলে দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে দীর্ঘকাল ধরে এই বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net