July 29, 2026, 5:30 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় ইউএনওকে এমপির ফুলেল শুভেচ্ছা নিয়ে বিতর্ক, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ কি বলে ! বাংলাদেশে পণ্যের দাম/‘রকেটস অ্যান্ড ফেদারস’ অর্থনীতির অদৃশ্য ফাঁদ ছয় বছরে মাত্র ২ শতাংশ অগ্রগতি, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন নিয়েও অনিশ্চয়তায় ঝিনাইদহ-যশোর ছয় লেন প্রকল্প আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার নিয়োগের অধিকার বনাম জনগণের প্রত্যাশা /সমন্বয় সাধনই সর্বোত্তম পন্থা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপ- উপাচার্য ও ট্রেজারার, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অভিনন্দন পদ্মা সেতুতে ইলেকট্রনিক টোল আদায় ১০ কোটি টাকা ছাড়াল, বাড়ছে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা গাংনী বাসস্ট্যান্ডে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে পুঁজি করে এগিয়ে যাচ্ছেন কুষ্টিয়ার নারী উদ্যোক্তারা ইউনুসের ৭ হাজার নতুন মাল্টিমিলিয়নেয়ার হিসাব, নৈতিক রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি এবং ক্ষমতার সমাজতত্ত্ব

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশুকে মর্গে পাঠানোর পর নড়ে উঠা নিয়ে হট্টগোল, ভাংচুর

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/ 

২৫০ শয্যার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পানিতে ডোবা শিশুকে মৃত ঘোষণার পর মর্গে নিয়ে গেলে নড়ে ওঠায় হট্টগোল এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

১৯ মার্চ দুপুরে কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকায় হামিম হোসেন নামের ৮ বছরের শিশু খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠান। সেখানে শিশুটি নড়েচড়ে উঠেছে বলে এবং ওই শিশু জীবিত আছে বলে স্বজনরা হৈচৈ শুরু করে।

প্রত্যক্ষদর্শী অন্য এক রোগীর স্বজন রফিকুল ইসলাম বলেন, পূনরায় শিশুটিকে হাসপাতালের ইমারজেন্সী তে ইসিজি করার জন্য নিয়ে আসা হয়। সেখানে ইসিজি করাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে হট্টগোল শুরু করে রোগীর স্বজনসহ উপস্থিত লোকজন। এক পর্যায়ে তারা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়ায় জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগ ভাংচুর করতে থাকতে। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ডাক্তাররা পূণরায় শিশুটির ইসিজি করে মৃত যোষণা করেন।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাপস কুমার সরকার বলেন, আমি নিজে শিশুটিকে পরীক্ষা করে দেখে মৃত ঘোষণা করে মর্গে পাঠাই। সেখানে শিশুটির পেটে চাপ দিলে পানি বের হওয়ার শিশুটির স্বজনরা মনে করেন তার বাচ্চা জীবিত আছে। পরে শিশুটিকে ইমারজেন্সী তে নিয়ে আসলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এখন সবকিছু স্বাভাবিক আছে। আমরা শিশুটির ইসিজি করেছি এবং লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত হামিম (৮) কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকার হারুনের ছেলে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net