August 20, 2026, 2:22 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কলকাতার হোটেলে আগুনে নিভে গেল কুষ্টিয়ার সাবংবাদিক দেবাশিস দত্ত, তার স্ত্রী, সন্তান ও শশুর, শোকে কুষ্টিয়া বাজারে দাম নেই, সংরক্ষণে বিদ্যুৎ নেই: এয়ার ফ্লো বন্ধে পচছে কৃষকের পেঁয়াজ তিলের খাজায় কুষ্টিয়ার এক টুকরো ইতিহাস সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের ৩০০ মেগাওয়াট, পূর্ণ উৎপাদনের পথে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয় সংবাদ বিশ্লেষণ/ লোডশেডিংয়ে চালকল: উৎপাদন কমছে, বাড়ছে সরবরাহ ব্যবস্থার ঝুঁকি কুষ্টিয়ায় জামায়াত ও গণঅধিকার কর্মীদের সংঘর্ষ, এমপির বাড়িতে বাড়তি পুলিশ কুষ্টিয়ায় ১৫ আগস্টে খিচুড়ি রান্নার অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুই ভাই গ্রেপ্তার দুই কোটি টাকার নকল সিগারেট জব্দ, বিএটির এজাহারে ৩ লাখ, জব্দ তালিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন ভুয়া কাবিন-তালাকনামার অভিযোগে কুষ্টিয়ায় মামলা, তদন্তে পুলিশ

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের পর্যটন মূল্য বাড়ছে

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/

নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের পর্যটন আকর্ষণ বাড়ছে। দেশ বিদেশ থেকে আসছে দর্শনার্থী। প্রাচীণ নিদর্শন হিসেবে এই জনপদের গাম্ভীর্যও বাড়ছে।

প্রাচীন এ বৌদ্ধবিহারটি বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেক জেন্ডার বিশাল স্থাপনা আবিষ্কার করেন।পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে। আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্ডা মহাবিহার তুলনা হতে পারে। এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্ম শিক্ষাদান কেন্দ্র ছিল। শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, বরং চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন। এটি ১২০০ সালের  পুরাতন।

বাংলার রাজধানী পুন্ডুনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)-এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার। এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নও্গাঁ  জিলার বদল্গাাছী পাহারপুর  গ্রামে অবস্থিত। অপরদিকে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে এর দূরত্ব পশ্চিমদিকে মাত্র ৫ কিলোমিটার। এর ভৌগোলিক অবস্থান ২৫°০´ উত্তর থেকে ২৫°১৫´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৫০´ পূর্ব থেকে ৮৯°১০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত। গ্রামের মধ্যে প্রায় ০.১০  অঞ্চল জুড়ে এই পুরাকীর্তিটি অবস্থিত। প্রত্নতাত্ত্বিক এই নিদর্শনটির ভূমি পরিকল্পনা চতুর্ভূজ আকৃতির। এটি বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের প্লাবন সমভূমিতে অবস্থিত, বরেন্দ্র নামক অনুচ্চ এলাকার অন্তর্ভুক্ত। মাটিতে লৌহজাত পদার্থের উপস্থিতির কারণে মাটি লালচে। অবশ্য বর্তমানে এ মাটি অধিকাংশ স্থানে পললের নিচে ঢাকা পড়েছে। পার্শ্ববর্তী সমতল ভূমি থেকে প্রায় ৩০.৩০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত পাহাড়সদৃশ স্থাপনা হিসেবে এটি টিকে রয়েছে। স্থানীয় লোকজন একে গোপাল চিতার পাহাড় আখ্যায়িত করত; সেই থেকেই এর নাম হয়েছে পাহাড়পুর, যদিও এর প্রকৃত নাম সোমপুর বিহার। প্রত্নতাত্ত্বিক আইনে এই স্থান ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসাবে ঘোষিত হয়। এখানে বসবাস উপযোগী ১৭৭ টি কক্ষ ছিল। এর ৯২টি কক্ষ দেবিদের জন্য নির্মাণ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net