March 18, 2026, 4:05 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
দায়িত্ব বুঝে নিয়ে কাজ শুরু করলেন কুষ্টিয়ার নতুন জেলা প্রশাসক ভর্তি পরীক্ষা ফিরছে/ অভিভাবকদের অতি উৎসাহ, শিক্ষকদের কোচিং নির্ভরতা—শিশুশিক্ষা আবারও বাণিজ্যের দোরগোড়ায়? ১৫ মাসে আরও দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে: ইউনুস সরকার অনুপ্রবেশ ঠেকাতেও ব্যর্থ, প্রত্যাবাসনেও আজ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন এনসিপি নেতারা গণভোট নিয়ে ‘অর্ধেক বুঝেছেন’: আইনমন্ত্রী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন, আয় দ্বিগুণের লক্ষ্য: জানালেন প্রধানমন্ত্রী অস্কার ২০২৬: সেরা ছবি ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’, বিজয়ীদের তালিকা অস্থিরতা প্রশমনের প্রত্যাশা/কুষ্টিয়ার নতুন জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান পুরোনো সিলেবাসে বৃত্তি পরীক্ষা/দ্বৈত পড়ার চাপে পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী পূর্ণাঙ্গ রায়/সর্বশেষঅবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান

জাতীয় নির্বাচনে প্রচারে ধর্ম ব্যবহার : আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উদ্বেগ

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে ধর্ম ব্যবহার এবং অন্যান্য ধর্মচর্চাকারী নাগরিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ভোট চাওয়ার প্রবণতাকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, সহিংসতা, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং নির্বাচনী অনিয়মের ঘটনাও আসককে গভীর উৎকণ্ঠায় ফেলে।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আসক জানিয়েছে, এসব ঘটনা নির্বাচনকালীন পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করছে, যা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যবিরোধী।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় জামায়াতের স্থানীয় একজন নেতা নিহত হয়েছেন, একই ঘটনায় বিএনপি’র একজন নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন কর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছে। বিগত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকরা প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছেন।
আসক আরও জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় নারীদের বোরকা বা নেকাব জোরপূর্বক খুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণের কারণে কোনো নাগরিককে এমন অপমান বা চাপের মুখোমুখি হতে দেওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের আচরণ সংবিধানবিরোধী; এটি নাগরিকের সমান মর্যাদা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের অধিকারের পরিপন্থী।
তাছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে আর্থিক সুবিধা দেওয়া, প্রচারণার সময় ভয়-ভীতি প্রদর্শন, শিষ্টাচারবিরোধী ও অশালীন ভাষা ব্যবহার এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করার মতো অভিযোগও গণমাধ্যমে উঠেছে। আসক মনে করছে, একটি গ্রহণযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য এসব ঘটনার বিরুদ্ধে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net