January 30, 2026, 3:49 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় নির্বাচনে প্রচারে ধর্ম ব্যবহার : আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উদ্বেগ গণভোটে প্রচার নিষিদ্ধ: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কড়া নির্দেশনা কুষ্টিয়া-৩ ভাঙা বাংলায় স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোটের আহ্বান, ভোটারদের মাঝে ভিন্নমাত্রার কৌতুহল দুটি বন্দর দিয়ে চাল আসায় সরবরাহ বেড়েছে, কমতে শুরু করেছে দাম ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দ্রুত সম্পন্নের কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের কুমারখালীতে কথিত কিশোর গ্যাং ‘KBZ’-এর দুই সদস্যের বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়া মডেল থানা থেকে ‘নিখোঁজ’ ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র, কে কি বলছেন রেকর্ড উৎপাদন, রেকর্ড মজুত—তবু চাল আমদানির দরজা খুলে রাখতে হয় সারা বছর বৃহত্তর কুষ্টিয়ার চার জেলায় ৪ সমাবেশ/নৈতিক পুনর্জীবন ও মনোভাব পরিবর্তনের আহ্বান জামাত আমীরের কম মেকআপে স্বাচ্ছন্দ্য—যে ১১টি গুণে আলাদা করে চেনা যায় এই নারীদের

জাতীয় নির্বাচনে প্রচারে ধর্ম ব্যবহার : আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উদ্বেগ

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে ধর্ম ব্যবহার এবং অন্যান্য ধর্মচর্চাকারী নাগরিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ভোট চাওয়ার প্রবণতাকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, সহিংসতা, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং নির্বাচনী অনিয়মের ঘটনাও আসককে গভীর উৎকণ্ঠায় ফেলে।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আসক জানিয়েছে, এসব ঘটনা নির্বাচনকালীন পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করছে, যা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যবিরোধী।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় জামায়াতের স্থানীয় একজন নেতা নিহত হয়েছেন, একই ঘটনায় বিএনপি’র একজন নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন কর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছে। বিগত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকরা প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছেন।
আসক আরও জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় নারীদের বোরকা বা নেকাব জোরপূর্বক খুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণের কারণে কোনো নাগরিককে এমন অপমান বা চাপের মুখোমুখি হতে দেওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের আচরণ সংবিধানবিরোধী; এটি নাগরিকের সমান মর্যাদা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের অধিকারের পরিপন্থী।
তাছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে আর্থিক সুবিধা দেওয়া, প্রচারণার সময় ভয়-ভীতি প্রদর্শন, শিষ্টাচারবিরোধী ও অশালীন ভাষা ব্যবহার এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করার মতো অভিযোগও গণমাধ্যমে উঠেছে। আসক মনে করছে, একটি গ্রহণযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য এসব ঘটনার বিরুদ্ধে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net