May 2, 2026, 9:53 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা দক্ষ শিক্ষক সংকটে বাংলাদেশ/ দক্ষিণ এশিয়ার নিচের সারিতে অবস্থান ও নীতিগত প্রশ্ন র‍্যাবের অভিযান/গ্রেপ্তার দৌলতপুরের আধ্যাত্মিক সাধক হত্যার এজাহারভুক্ত আসামি রাজীব মিস্ত্রি মহান মে দিবস/ দ্রব্যমূল্য, অন্যায্য মজুরি ও অনিরাপদ শ্রমের কঠিন বাস্তবতায় বাংলাদেশের শ্রমজীবীরা একটি বিশ্লেষণ/গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ৩ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ কৃষকের ন্যায্য অধিকার ফেরাতে/রাজবাড়ীর পেঁয়াজ বাজারে ‘ধলতা’ বিরোধী অভিযান ‘জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা/ ঢাকায় ৪ আটক: অস্ত্র, ড্রোন ও উগ্রবাদী বই উদ্ধার সৌন্দর্যের নামে বিশৃঙ্খলকে বরণ/ কুষ্টিয়ার প্রধান মোড়ে বকের মূর্তি ও নগর পরিকল্পনার সংকট সামনে ঈদ, বাড়ছে শঙ্কা, সংকট তৈরি হওয়ার পর ব্যবস্থা নেয়ার প্রবণতায় বিশৃঙ্খল সয়াবিন তেলের বাজার রুপপুর/একটি নতুন যুগের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

জাতীয় নির্বাচনে প্রচারে ধর্ম ব্যবহার : আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উদ্বেগ

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে ধর্ম ব্যবহার এবং অন্যান্য ধর্মচর্চাকারী নাগরিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ভোট চাওয়ার প্রবণতাকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, সহিংসতা, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং নির্বাচনী অনিয়মের ঘটনাও আসককে গভীর উৎকণ্ঠায় ফেলে।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আসক জানিয়েছে, এসব ঘটনা নির্বাচনকালীন পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করছে, যা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যবিরোধী।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় জামায়াতের স্থানীয় একজন নেতা নিহত হয়েছেন, একই ঘটনায় বিএনপি’র একজন নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন কর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছে। বিগত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকরা প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছেন।
আসক আরও জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় নারীদের বোরকা বা নেকাব জোরপূর্বক খুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণের কারণে কোনো নাগরিককে এমন অপমান বা চাপের মুখোমুখি হতে দেওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের আচরণ সংবিধানবিরোধী; এটি নাগরিকের সমান মর্যাদা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের অধিকারের পরিপন্থী।
তাছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে আর্থিক সুবিধা দেওয়া, প্রচারণার সময় ভয়-ভীতি প্রদর্শন, শিষ্টাচারবিরোধী ও অশালীন ভাষা ব্যবহার এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করার মতো অভিযোগও গণমাধ্যমে উঠেছে। আসক মনে করছে, একটি গ্রহণযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য এসব ঘটনার বিরুদ্ধে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net