October 16, 2026, 1:54 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কার মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, দুই বাংলাদেশী নারী-পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর রূপপুরে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন, পর্যবেক্ষণে ২০ হাজার যন্ত্রপাতি সমাবর্তনের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সকল কমিটিকে নির্দেশনা উপাচার্যের কুষ্টিয়ায় জমি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি কুষ্টিয়ায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ইসির: প্রথম ধাপের ভোট ২১ জানুয়ারি, শেষ হবে মে মাসে ডেঙ্গু: শুধু মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্রের সক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে? কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পুশইনের দুটি চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতকে নতুনভাবে সাজাতে হবে: ইবি উপাচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্তন ক্যান্সার সচেতনতায় ‘গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা’

ঝড় ও শিলাবৃষ্টি আতঙ্কে ঈশ্বরদীর আম-লিচু চাষিরা

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
মৌসুমে হঠাৎই ঝড় ও শিলাবৃষ্টি দেখা দিল। এতে দেশের অনেক জায়গাতেই ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে। এটা পাবনার বিভিন্ন এলাকায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ঝড় ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস আছে। ফলে, ফলচাষিদের আতঙ্ক শেষ হচ্ছে না।
দেশের অন্যতম বৃহত্তম ফল উৎপাদনকারি অঞ্চল পাবনা ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর এলাকায় দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।
ফল চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন এ বছর লিচুর মুকুল আসার সময় বৃষ্টির কারণে লিচুর আশানুরূপ মুকুল না আসায় এ বছর লিচুর ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা আছে। গত বছর যে সব গাছে ১২ থেকে ১৫ হাজার লিচু পাওয়া গেছে এ বছর ৮ থেকে ১০ হাজারের বেশি লিচু পাওয়া যাবে না বলে জানান তিনি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটলে ফলন বিপর্যয়ে লোকসানের মুখে পড়বে চাষিরা।
গত শনিবার পাবনা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টিসহ ঝড় হয়েছে। এতে বিভিন্ন স্থানে গাছ উপরে পড়েছে। পাকার আগেই অনেক গাছের ফল ঝরে গেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ঝড়ে ৩০ হেক্টর লিচু ও ৪৫ হেক্টর আমের বাগান আক্রান্ত হয়েছে।
পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন দুর্যোগ আক্রান্ত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপন করা হচ্ছে।
শাহ আলম বলেন, এ বছর পাবনায় ১৪,৯৬৬ হেক্টর জমিতে ফলের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে লিচুর আবাদ হয়েছে ৪,৭২১ হেক্টর জমিতে আর আমের আবাদ হয়েছে ২,৭৩০ হেক্টর জমিতে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। তবে ঝড় ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় এখনই শঙ্কামুক্ত হতে পারছেন না কৃষকরা।
পাবনার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক শাজাহান আলি বাদশা বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই পাবনাতে ফলের আবাদ বাড়ছে। প্রতিবছর আম লিচুর সময় কয়েক হাজার কোটি টাকার ফলের ব্যবসা হয় এ অঞ্চলে।
কৃষি অর্থনীতিক কর্মকাণ্ডে মৌসুমি ফল বড় ভূমিকা রাখলেও কৃষকদের প্রকৃতির উপর নির্ভর করতে হয়। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কা থাকলেও এবার মৌসুমি ফলের ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন চাষিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net