February 28, 2026, 5:52 pm

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। শনিবার সকালে তেহরানসহ দেশটির একাধিক শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরই এই পাল্টা আঘাত হানে তেহরান।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশটির আকাশসীমার দিকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন শহরে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। সম্ভাব্য হুমকি প্রতিহত করতে বিমান বাহিনী কাজ করছে এবং প্রয়োজন হলে পাল্টা আঘাত হানার প্রস্তুতিও রয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি নির্ভুল নয় উল্লেখ করে নাগরিকদের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার সকালেই ইরানর রাজধানী তেহরানসহ ইসফাহান, কোম, কারাজ ও কারমানশাহ শহরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার খবর প্রকাশিত হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।
CNN–এর লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলা করা। তবে হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, দেশটি ‘প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে সেই প্রস্তুতির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ সংঘাত বিস্তৃত আকার ধারণ করলে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।