September 21, 2026, 12:39 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্লেষণ/বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে কেন বাড়ল পদ্মার অববাহিকায় ইলিশের আকাল, হাহাকার জেলেদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার হাব স্থাপনের লক্ষ্যে ব্র্যাকের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ও আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন নতুন পে-স্কেল/ স্বস্তির অঙ্কের আড়ালে যে বড় প্রশ্নগুলো ইবিতে ‘সামাজিক সংকট নিরসনে আল-কুরআনের রূপরেখা’ শীর্ষক সেমিনার নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, কার্যকর ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিযুক্ত উপাচার্যদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইউট্যাবের সংবর্ধনা চার বছর পর গড়াইতে ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন, আজ দ্বিতীয় দিন—কাল সমাপনী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে IIER-এর ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়াতে এবার রথের উৎসব নেই, নিরব জিউর মন্দির এলাকা

সাদিক হাসান রোহিদ/
গত বছরও এই দিনটিতে শহরের নবাব সিরাজু-দ্দৌলা সড়ক ছিল রমরমা ৷ শহরের প্রধান সড়ক-সরণির দু পাশে সাড়ি সাড়ি বসে যেত হাজার দোকান হাজার পসরা নিয়ে।
আসলে রথযাত্রার দিনটাই থাকে অন্যরকম। এটি হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় হলেও বাংলা ভুখন্ডে সব উৎসবই বরাবরই সবার হয়েছে। দিনটিকে শুভ বলেই ধরা হয় ৷ কিন্তু, এবারের রথযাত্রার দিনটি বড় বিবর্ণ, মলিন, করোনার দাপটে সব দোকান-পাটের ঝাঁপ বন্ধ ৷ কোনদিকেই নেই উৎসবের আমেজ। লোক সমাগম নিষিদ্ধ আছেই।
সকালে সিরাজু-দ্দৌলা সড়কে দেখা যায় দু একটা দোকান বসেছে। মুড়ি, খই, বাতাসা, ছাঁচ খাজা ইত্যাদি নিয়ে। এরকম খুঁজে পাওয়া গেল জনা দশেক মতো। হয়তো বেলা বাড়লে আরো দু’একজনের দেখা মিলতে পারে। তবে মানুষের সেই শোড়গোল নেই। উৎসব আমেজ তো নেইই।
কুষ্টিয়ার রথে যেটি দেখা যায় তা হলো এখানে ধর্মীয় রেশের পাশাপাশি পণ্য মেলা হয়। ধর্মীয় আবহাওয়াটি তার মতো করেই চলে। তবে পণ্য মেলাটি সকল ধর্ম-বর্ণ-জাতির মানুষকে আগাগোড়াই আকর্ষিত করে। দিন ধরে নারী পুরুষ নির্বিশেষে এসব দৈনন্দিনের ব্যবহৃত পণ্য সংগ্রহ করে ঘরে ফেরে।
কথা হয় জেলার সবথেকে বড় মন্দির শহরের নবাব সিরাজু-দ্দৌলা সড়ক ঘেঁষে গড়ে উঠা গোপীনাথ জিউর মন্দিরের সভাপতি ও কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি এডভোকেট অনুপ কুমার নন্দীর সাথে। তিনি জানান বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই সবকিছু করতে হবে। মানুষের জীবন প্রথম তারপর অন্যকিছু। অনুপ জানান সাধারন ধর্মীয় বিষয়াবলী রীতিমাফিক মন্দিরেই অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন কুষ্টিয়ার এই রথ উৎসব এ এলাকার সবচে বড় উৎসব। এখানে প্রচুর লোকসমাগম হয়। উৎসব করতে গেলে বিপর্যয় নেমে আসবে।
কথা বলেন স্কুল শিক্ষিকা শর্মিলা গুহ বলেন এই উৎসবের নানান দিক রয়েছে। সবাই মিলে উৎসবে থাকার কারনে রথে মজা হয় আলাদা রকমের। এবারে করোনার কারনে তা হলো না।
সরকারী চাকুরে রবিউল হোসেন জানান প্রতি বছরই রথ থেকে তার পরিবার দৈনন্দিন প্রয়োজনের অনেক কিছু কেনাকাটা করে থাকেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net