September 22, 2026, 1:50 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্লেষণ/বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে কেন বাড়ল পদ্মার অববাহিকায় ইলিশের আকাল, হাহাকার জেলেদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার হাব স্থাপনের লক্ষ্যে ব্র্যাকের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ও আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন নতুন পে-স্কেল/ স্বস্তির অঙ্কের আড়ালে যে বড় প্রশ্নগুলো ইবিতে ‘সামাজিক সংকট নিরসনে আল-কুরআনের রূপরেখা’ শীর্ষক সেমিনার নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, কার্যকর ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিযুক্ত উপাচার্যদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইউট্যাবের সংবর্ধনা চার বছর পর গড়াইতে ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন, আজ দ্বিতীয় দিন—কাল সমাপনী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে IIER-এর ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশুকে মর্গে পাঠানোর পর নড়ে উঠা নিয়ে হট্টগোল, ভাংচুর

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/ 

২৫০ শয্যার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পানিতে ডোবা শিশুকে মৃত ঘোষণার পর মর্গে নিয়ে গেলে নড়ে ওঠায় হট্টগোল এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

১৯ মার্চ দুপুরে কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকায় হামিম হোসেন নামের ৮ বছরের শিশু খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠান। সেখানে শিশুটি নড়েচড়ে উঠেছে বলে এবং ওই শিশু জীবিত আছে বলে স্বজনরা হৈচৈ শুরু করে।

প্রত্যক্ষদর্শী অন্য এক রোগীর স্বজন রফিকুল ইসলাম বলেন, পূনরায় শিশুটিকে হাসপাতালের ইমারজেন্সী তে ইসিজি করার জন্য নিয়ে আসা হয়। সেখানে ইসিজি করাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে হট্টগোল শুরু করে রোগীর স্বজনসহ উপস্থিত লোকজন। এক পর্যায়ে তারা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়ায় জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগ ভাংচুর করতে থাকতে। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ডাক্তাররা পূণরায় শিশুটির ইসিজি করে মৃত যোষণা করেন।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাপস কুমার সরকার বলেন, আমি নিজে শিশুটিকে পরীক্ষা করে দেখে মৃত ঘোষণা করে মর্গে পাঠাই। সেখানে শিশুটির পেটে চাপ দিলে পানি বের হওয়ার শিশুটির স্বজনরা মনে করেন তার বাচ্চা জীবিত আছে। পরে শিশুটিকে ইমারজেন্সী তে নিয়ে আসলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এখন সবকিছু স্বাভাবিক আছে। আমরা শিশুটির ইসিজি করেছি এবং লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত হামিম (৮) কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকার হারুনের ছেলে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net