September 8, 2026, 3:48 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
স্বস্তির বাহন যখন ভোগান্তির কারণ/কুষ্টিয়াসহ সারাদেশে অটোরিকশা-বাস্তবতা কুষ্টিয়ায় ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড গড়াই নদীতে বিচ্ছিন্ন ওসমানপুর: উন্নয়নের প্রত্যাশায় নতুন নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে জনগণ কর্মসংস্থান ও ক্যারিয়ার উন্নয়নে ইবিতে Career Hub, ২০ সেপ্টেম্বর MoU সাইন ভারত থেকে কিনছি ১১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, বিক্রি করতে পারছি মাত্র ২ বিলিয়নেরও কম! খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির মাধ্যমে তারুণ্যের ক্ষমতায়ন শীর্ষক সেমিনার কুষ্টিয়ার কুলফি মালাই: এক হাঁড়ির পেছনে যে অর্থনীতি মাজারের খাদেম হত্যা: ২ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট ভারতের উত্তরাখণ্ডে ২০ মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ, ১৭টি সিলগালা কোভিড-এ বন্ধ হয়ে যাওয়া চীনা ভাষা শিক্ষা ও একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগ

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশুকে মর্গে পাঠানোর পর নড়ে উঠা নিয়ে হট্টগোল, ভাংচুর

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/ 

২৫০ শয্যার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পানিতে ডোবা শিশুকে মৃত ঘোষণার পর মর্গে নিয়ে গেলে নড়ে ওঠায় হট্টগোল এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

১৯ মার্চ দুপুরে কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকায় হামিম হোসেন নামের ৮ বছরের শিশু খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠান। সেখানে শিশুটি নড়েচড়ে উঠেছে বলে এবং ওই শিশু জীবিত আছে বলে স্বজনরা হৈচৈ শুরু করে।

প্রত্যক্ষদর্শী অন্য এক রোগীর স্বজন রফিকুল ইসলাম বলেন, পূনরায় শিশুটিকে হাসপাতালের ইমারজেন্সী তে ইসিজি করার জন্য নিয়ে আসা হয়। সেখানে ইসিজি করাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে হট্টগোল শুরু করে রোগীর স্বজনসহ উপস্থিত লোকজন। এক পর্যায়ে তারা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়ায় জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগ ভাংচুর করতে থাকতে। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ডাক্তাররা পূণরায় শিশুটির ইসিজি করে মৃত যোষণা করেন।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাপস কুমার সরকার বলেন, আমি নিজে শিশুটিকে পরীক্ষা করে দেখে মৃত ঘোষণা করে মর্গে পাঠাই। সেখানে শিশুটির পেটে চাপ দিলে পানি বের হওয়ার শিশুটির স্বজনরা মনে করেন তার বাচ্চা জীবিত আছে। পরে শিশুটিকে ইমারজেন্সী তে নিয়ে আসলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এখন সবকিছু স্বাভাবিক আছে। আমরা শিশুটির ইসিজি করেছি এবং লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত হামিম (৮) কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকার হারুনের ছেলে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net