April 14, 2026, 9:33 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় আধ্যাত্মিক গুরু হত্যা/জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি প্রধান আসামি; ইসলামী সংগঠনের একাধিক নেতার নাম শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ ঐতিহ্যে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের নববর্ষ উদযাপন রমনা বটমূলে বৈশাখী বোমা হামলা: ২৫ বছর পরও বিচার যেন এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা শিক্ষামন্ত্রীর পাশেই বসে ‘চেয়ার’ হারানোর খবর: যবিপ্রবি উপাচার্যের হাসি-চাপা বিষাদ খুলনা বিভাগের ১০ জেলার কেন্দ্রসচিবদেরকে শিক্ষামন্ত্রী/ শুধু মন্ত্রী বদলালেই শিক্ষার মান বাড়বে না আনন্দে বরণ নতুন বছর—আজ পহেলা বৈশাখ কুষ্টিয়ায় আধ্যাত্মিক সাধক হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামি ২০০ জন ধর্মীয় উত্তেজনার পর কুষ্টিয়ায় বাউল শিল্পীর বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন—নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ভারত থেকে আমদানি করা তেলই আবার ভারতে পাচার—চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ২১২ লিটার ডিজেল জব্দ খুলনা বিভাগে হাম উপসর্গে আক্রান্ত হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ১০

মদ উৎপাদন দ্বিগুণ করবে কেরু

সূত্র, দ্য ডেইলি স্টার/

মুল : আমানুর আমান ; ইংরেজী থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ ইশতিয়াক খান

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে উৎপাদন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মদ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড।

কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছরের অক্টোবর-ডিসেম্বরে কেরুর উৎপাদিত মদের বিক্রি ৫০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে

এ বছরের অক্টোবরে, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যথাক্রমে  ১৮ হাজার ৫৭৯, ১৯ হাজার ৪৪৬ এবং ২১ হাজার কেসেরও বেশি মদ বিক্রি করেছে কেরু। প্রতিষ্ঠানটি ১৭৫ মিলিলিটার, ৩৭৫ মিলিলিটার ও ৭৫০ মিলিলিটারের বোতলে মদ বাজারজাত করে। একটি কেসে ৭৫০ মিলিলিটারের ১২টি, ৩৭৫ মিলিলিটারের ২৪টি এবং ১৭৫ মিলিলিটারের ৪৮টি মদের বোতল থাকে।

কেরুর উৎপাদিত মদ প্রতি মাসে গড়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার কেস বিক্রি হয়ে থাকে। উৎপাদনও সে অনুযায়ী করা হয়। তবে চুয়াডাঙার দর্শনায় অবস্থিত কারখানায় বর্তমানে উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে।

২০২০-২১ অর্থবছরে কেরু মদ বিক্রি থেকে ১৯৫ কোটি টাকা লাভ করেছে।

কেরুর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, সরকার একটি ১০২ কোটি ২১ লাখ টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা ২০২২ সালে শেষ হবে। এর মাধ্যমে উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় করা হবে।

এ ছাড়া রূপপুর, কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় ১টি করে বিক্রয় কেন্দ্র এবং রাজশাহী ও রামুতে ১টি করে ওয়্যারহাউস নির্মাণের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও করেছে কেরু।

বর্তমানে সারা দেশে কেরুর ১৩টি ওয়্যারহাউস ও ৩টি বিক্রয়কেন্দ্র আছে।

এরমধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কেরুর ২টি নতুন বিক্রয়কেন্দ্রের অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির  কর্মকর্তারা। তারা বলেন, বিক্রয়কেন্দ্রগুলো পরিচালনা করার জন্য পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করবে কেরু।

পণ্য:

৮৩ বছরেরও বেশি পুরনো প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে ৯টি ব্র্যান্ড। এগুলো হচ্ছে-  ইয়েলো লেবেল মল্টেড হুইস্কি, গোল্ড রিবন জিন, ফাইন ব্র্যান্ডি, চেরি ব্র্যান্ডি, ইম্পেরিয়াল হুইস্কি, অরেঞ্জ কুরাকাও, জারিনা ভদকা, রোসা রাম ও ওল্ড রাম।

কেরুর সূত্রগুলো জানায়, বর্তমানে তাদের কারখানায় ৯টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আওতায় আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য প্রস্তুতকৃত ১০ লাখ ৮০ হাজার প্রুফ লিটার মদ, ২৬ লাখ লিটার দেশি স্পিরিট ও ৮ লাখ লিটার ডিনেচার্ড স্পিরিট উৎপাদন করা হয়। মদের পাশাপাশি ভিনেগার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সার, চিনি ও গুড়ের মতো অন্যান্য পণ্যও উৎপাদন করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net