June 24, 2026, 12:27 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ধানমন্ডি ৩২-এ জামায়াতের মিছিল শেষে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ১ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা/ ১,২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত, হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন অগ্রগতি পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন বাংলাদেশ সীমান্তে ৭–৮টি আধুনিক স্থলবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের বাংলাদেশের স্বার্থ/ ভারত ও চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি জরুরী অনুকূল পরিবেশ হলে ভারত যাবেন প্রধানমন্ত্রী/বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বাস্তবতায় একটি নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ যশোরে বিজিবির অভিযানে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ দুই চোরাকারবারি আটক ইবিতে সচেতন খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়ায় এসবি বাস দুর্ঘটনার তদন্ত/ বাসের যান্ত্রিক ত্রুটি, ফিটনেস না থাকা, ঘাট অব্যবস্থাপনা দায়ী

গত বছরের তুলনায় পানি প্রবাহ বেশী/হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পানি পর্যবেক্ষণ শুরু

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি অনুযায়ী দুদেশের পদ্মা ও গঙ্গায় যৌথভাবে পানি পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে।
সূত্র জানায়, এবার বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা গত বছরের তুলনায় বেশী ছিল। বুধবার সকাল ৯টায় পাবনার ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্ট ও ভারতের গঙ্গার ফারাক্কা পয়েন্টে দুদেশের প্রতিনিধি দল এ পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। এ সময় সেখানে পানির পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ৮৫ সেন্টিমিটার। গত বছর এদিনে ছিল ৫ দশমিক ৬২ সেন্টিমিটার।
ভারতীয় টিমের কর্মকর্তারা হলেন- ভারতের সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মুক্তালিও ফাংলিন ও সহ-পরিচালক রিতেশ কুমার।
তিন সদস্যের বাংলাদেশ টিমে রয়েছেন- উত্তরাঞ্চলীয় পানি বিজ্ঞান পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোফাজ্জল হোসেন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইলিয়াস হোসেন।
পর্যবেক্ষণ টিমের সদস্যরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা রেস্ট হাউসে অবস্থান করছেন
বিষয়টি নিশ্চিত করেন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে কর্তব্যরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইলিয়াস হোসেন।
১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পানি চুক্তির পর থেকে প্রতিবছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এ পর্যবেক্ষণ চলে। চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ফারাক্কা পয়েন্ট ও বাংলাদেশের হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পর্যবেক্ষণ চলে থাকে।
প্রকৌশলী ইলিয়াস হাসেন জানান, চলতি বছর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। গত বছর এ সময়ে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ ছিল ৭৮ হাজার ৫শ’ কিউসেক। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ছিল ৮৫ হাজার কিউসেক।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রথম ১০ দিন ফারাক্কায় ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানির প্রবাহ থাকলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়েই ৫০ শতাংশ করে পানি পাবে। দ্বিতীয় ১০ দিন, ফারাক্কা পয়েন্টে ৭০ হাজার কিউসেক পানিপ্রবাহ থাকলে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে। তৃতীয় ১০ দিন ফারাক্কা পয়েন্টে ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি পানিপ্রবাহ থাকলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক পানি, বাকিটা পাবে বাংলাদেশ।
তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ১১ মার্চ থেকে ১০ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশ ৩ দফা ১০ দিনের হিসাবের ক্রমানুসারে ৩৫ হাজার কিউসেক করে পানি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net