March 18, 2026, 3:46 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
দায়িত্ব বুঝে নিয়ে কাজ শুরু করলেন কুষ্টিয়ার নতুন জেলা প্রশাসক ভর্তি পরীক্ষা ফিরছে/ অভিভাবকদের অতি উৎসাহ, শিক্ষকদের কোচিং নির্ভরতা—শিশুশিক্ষা আবারও বাণিজ্যের দোরগোড়ায়? ১৫ মাসে আরও দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে: ইউনুস সরকার অনুপ্রবেশ ঠেকাতেও ব্যর্থ, প্রত্যাবাসনেও আজ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন এনসিপি নেতারা গণভোট নিয়ে ‘অর্ধেক বুঝেছেন’: আইনমন্ত্রী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন, আয় দ্বিগুণের লক্ষ্য: জানালেন প্রধানমন্ত্রী অস্কার ২০২৬: সেরা ছবি ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’, বিজয়ীদের তালিকা অস্থিরতা প্রশমনের প্রত্যাশা/কুষ্টিয়ার নতুন জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান পুরোনো সিলেবাসে বৃত্তি পরীক্ষা/দ্বৈত পড়ার চাপে পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী পূর্ণাঙ্গ রায়/সর্বশেষঅবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান

কর্মঘণ্টায় ফেসবুক চালানার প্রমাণ মিললেই বিচারিক জীবনের অবসান: নিম্ন আদালতের বিচারকদের প্রধান বিচারপতি

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আদালতের কর্মঘণ্টায় ফেসবুকসহ কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সুযোগ নেই—এ বিষয়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, কর্মঘণ্টার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে সেদিনই সংশ্লিষ্ট বিচারকের বিচারিক জীবনের শেষ দিন হবে।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অভিভাষণে দেশের সব জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে এই নির্দেশনা দেন প্রধান বিচারপতি।
অভিভাষণে তিনি আদালতের পরিবেশ শৃঙ্খলিত রাখা, দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তি ও রায় প্রদান, সততা বজায় রাখা এবং কোর্ট প্রাঙ্গণে বহিরাগত প্রবেশ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, দুর্নীতির প্রশ্নে বিচার বিভাগে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। বিচার আসনে বসে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া চলবে না। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের কোনো বিকল্প নেই। কোনো বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অনিয়মের প্রমাণ মিললে তাকে কঠোর মূল্য দিতে হবে।
রায় প্রদানে বিলম্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুনানি ও নিষ্পত্তির তিন থেকে সাত দিনের মধ্যেই রায় প্রকাশ করা উচিত। অযথা দেরি হলে পুনরায় নথি পর্যালোচনার প্রয়োজন পড়ে, এতে সময় নষ্ট হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন বিচারপ্রার্থীরা। তাই আদেশ বা রায় প্রদানে কোনো ধরনের গাফিলতি কাম্য নয়। আদালতের কর্মঘণ্টার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া অধস্তন আদালত ও কোর্ট প্রাঙ্গণের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর জোর দেন তিনি। আইনজীবী ও মামলার পক্ষ ছাড়া কেউ যেন এজলাস কক্ষে প্রবেশ না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। কোর্ট প্রাঙ্গণকে বহিরাগতমুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাদাম, চা, ডাব বিক্রেতা কিংবা হকারদের আদালত এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে আইনজীবীদের ড্রেসকোড মেনে চলা নিশ্চিত করার বিষয়েও বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন। ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। শপথের পরপরই অধস্তন আদালতের বিচারকদের উদ্দেশে এই অভিভাষণের আয়োজন করা হয়।
প্রসঙ্গত, অধস্তন আদালতের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এর মধ্যে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম চলে, মাঝে দুপুরের খাবার ও নামাজের বিরতি থাকে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিচারকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net