August 9, 2026, 8:12 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
বরেন্দ্র অঞ্চলে বরাদ্দ বাড়লেও মিলছে না সার, ডিলারের দোকানে সংকট—খুচরা বাজারে বাড়তি দাম গাংনীতে মাটি খুঁড়তেই মিলল ১০ ল্যান্ডমাইন, ৫ টুলবক্স; এলাকায় চাঞ্চল্য গাংনী সীমান্তে নারী-পুরুষসহ ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ ইবির জুলাই-৩৬ হলে রুমমেটদের গোপন ছবি প্রেমিকের কাছে পাঠানোর অভিযোগ, ক্ষোভ ও আতঙ্ক শিক্ষার্থীদের র‍্যাব বিলুপ্ত হয়ে এসআরবি, থাকছে নাগরিক অভিযোগের নতুন ব্যবস্থা খোকসায় বিএনপি নেতা নাফিজ আহমেদ রাজুর ওপর সশস্ত্র হামলা, গুরুতর আহত সাঈদীর ছবিতে জুতা নিক্ষেপকারীরা ‘জারজ সন্তান’: আমির হামজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়র ৪৪ শিক্ষককে ঘিরে দেশব্যাপী গোপন তৎপরতার অভিযোগ/ তদন্তে গঠিত হলো উচ্চপর্যায়ের কমিটি মাত্র ৯১ টন ভারতীয় মরিচেই ভেঙে পড়ল বাজার/৪০০ টাকা কেজি দাম কে ধরে রেখেছিল? জুলাই আন্দোলন ছিল সম্মিলিত, লক্ষ্য হওয়া উচিত ঐক্য ও রাষ্ট্রগঠন

করোনা পরবর্তী খাদ্য নিরাপত্তা/অতিরিক্ত দুই লাখ টন চাল সংগ্রহ করছে সরকার

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/

লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত দুই লাখ মেট্রিকটন চাল দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস হতে সংগ্রহ করছে সরকার। দেশে খাদ্যশস্য নিয়ে আপাতত চিন্তার কোনো কারণ না থাকলেও ভবিষ্যত খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে সরকার এটি করছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সংশোধিত বাজেটে ৭২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এর আগে রাশিয়ার সঙ্গে দুই লাখ মেট্রিক টন গম কেনার সমঝোতা হয়েছে এবং জুলাইয়ের মধ্যে সে গম এসে পৌঁছাবে দেশে। দেশে গম উৎপাদ কম হওয়ায় সরকারি এবং বেসরকারিভাবে গম দেশের বাইর থেকে প্রায় ৭ লাখ মেট্রিক টন আমদানি করা হয়।

বিভিন্ন সুত্র বলছে প্রধানমন্ত্রী কিছু বেশি পরিমাণে কেনার নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ ধান উৎপাদন করে কৃষকরা যেনো কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সরকারিভাবে বেশি পরিমাণে ধান ও চাল ক্রয় করা হলে বাজারে ধানের দামটা কমে না তাই এবার বেশি বেশি করে সরকারিভাবে চাল ক্রয় করা হচ্ছে। সরকার ধান কিনছে তাই এবার ধানের দাম বেশি পাচ্ছে, ধান এখন ৬০০-৭০০ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে।’

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মে পর্যন্ত সময়ে খাদ্যশস্যের সরকারি গুদামজাতকৃত মোট মজুত ১২ লাখ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে চাল ৯ লাখ ৯২ হাজার মেট্রিক টন এবং গম ২ লাখ ৮৬ হাজার মেট্রিক টন। গত বছর একই সময়ে সরকারি গুদামে খাদ্যশস্য মজুত ছিল ১২ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। অর্থৎ গত বছরের তুলানায় বর্তমানে সরকারি গুদামে খাদ্যশস্য ৩৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি রয়েছে।
গত বছর ১৬ লাখ মেট্রিক টন কিনেছিল সরকার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এ বছর চার লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন চল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আরও দুই মেট্রিক টন চাল ও দুই মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করছে সরকার।
এদিকে গত আমন মৌসুমে এক কোটি ৫৫ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়েছে। পাশাপাশি বোরোতে আমরা দুই কোটি মেট্রিক টনের বেশি ফলন আশা করছে সরকার। তাই সংকট বা দানা জাতীয় খাবারের সংকট হবে না বলে আশা করছে সরকার।
এ ছাড়া আলু, শাকসবজি, তেলবীজসহ বেশির ভাগ পণ্যেই বাংলাদেশ প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। ফলে খাদ্যসংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, করোনার কারণে অন্তত ২০ থেকে ২৫ শতাংশ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হবে। তারা কর্মহীন হবে এবং খাদ্যের সরবরাহ থাকলেও তা কেনার সামর্থ্য থাকবে না অনেকের। এ সময়ে দরিদ্রদের জন্য খাদ্য সহায়তা নিরবচ্ছিন্ন রাখাই হবে সরকারের চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net