December 2, 2022, 10:35 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
দরিদ্র দেশগুলোর ওপর ঋণের বোঝা বেড়েছে ৩৫ শতাংশ/ পরিবেশ উন্নয়নে ২৬৫০ কোটি টাকা অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের চুয়াডাঙ্গায় কৃষক হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন খেলতেই হয়েছে মেসিদের এবং জিততেও হয়েছে তাই একাদশে ভর্তি/আবেদন শুরু ৮ ডিসেম্বর, ভর্তি মেধার ভিত্তিতে, ফেব্রুয়ারির ক্লাস ইবির গেট থেকে দেহ-বিচ্ছিন্ন মস্তক উদ্ধার/১৩ বছর পর রায় শুনিয়েছে আদালত, তিনজনের যাবজ্জীবন যশোর বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ বেড়েছে এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ, গত বছর ছিল ৯৩. ৫৮ শতাংশ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো আরো ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ  মেসি-জাদুতেই বিশ্বকাপে টিকে রইল আর্জেন্টিনা আজ শহীদ ডা. মিলন দিবস

বড় শক্তি, বড় ধরনের ক্ষতি করার ক্ষমতা নিয়েই এগিয়ে আসছে আম্ফান

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
বড় শক্তি, বড় ধরনের ক্ষতি করার ক্ষমতা নিয়েই বাংলাদেশ উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে আম্ফান। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড় এরই মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে বয়ে যাবে এটি। আজ মঙ্গলবার শেষরাত থেকে আগামীকাল বুধবার বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।
সর্বশেষ তথ্য মতে, আম্ফানের কেন্দ্রের ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ২৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
আম্ফানের গতি-প্রকৃতি পর্যালোচনা করে আবহাওয়াবিদরা বলছেন যেভাবে এটি অগ্রসর হচ্ছে, তাতে গত বছর এপ্রিলে ফণীর মতো বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। সে সময় বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে।
ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ফণী ও সিডরের মতো শক্তি এরই মধ্যে সঞ্চয় করে ফেলেছে আম্ফান। ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৪ কিলোমিটার এবং ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের সর্বোচ্চ গতিবেগ ২২৩ কিলোমিটার।
এদিকে, ভারতের আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন মঙ্গলবার (১৯ মে) সারাদিন ও রাতে সুপার সাইক্লোনের (সর্বোচ্চ গতিবেগ ২৫৫ থেকে ২৬৫ কিমি) তীব্রতা থাকবে। তবে শেষরাতের দিকে উপকূলে আছড়ে পড়লে এটির তীব্রতা কিছুটা কমে অতি প্রবল (সর্বোচ্চ ২১০ থেকে ২৩০ কিমি) ঘূর্ণিঝড় হিসেবে তান্ডব চালাবে। এরপর আরও শক্তি ক্ষয় করে উপকূল অতিক্রম করে সমতলে উঠে আসার সময় বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যার দিকে এটির গতি নেমে আসবে ১৭০ কিমিতে (খুব প্রবল ঘূর্ণিঝড়)। বৃহস্পতিবার (২১ মে) নাগাদ ঝড়টি শান্ত হয়ে নিন্মচাপে পরিণত হবে।
বর্তমানে ঝড়টির যে অভিমুখ রয়েছে তা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ-কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে সীমান্তের ওপারে আসাম পর্যন্ত নির্দেশ করছে।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উপকূলীয় ১১টি জেলায় ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত সরিয়ে ৭ নম্বর বিপত্সংকেত দেখাতে বলেছে। ঘূর্ণিঝড় ও অমাবস্যার প্রভাবে ১৪টি জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোয় ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
প্রায় ৫১ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করার সময় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলাসহ আশপাশের দ্বীপ ও চরে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হবে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ঘূর্ণিঝড় ও অমাবস্যার প্রভাবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন..


Leave a Reply

Your email address will not be published.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
293031    
       
    123
45678910
       
  12345
27282930   
       
14151617181920
28      
       
       
       
    123
       
     12
31      
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
© All rights reserved © 2021 dainikkushtia.net
Design & Developed BY Anamul Rasel