July 28, 2026, 5:57 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার নিয়োগের অধিকার বনাম জনগণের প্রত্যাশা /সমন্বয় সাধনই সর্বোত্তম পন্থা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপ- উপাচার্য ও ট্রেজারার, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অভিনন্দন পদ্মা সেতুতে ইলেকট্রনিক টোল আদায় ১০ কোটি টাকা ছাড়াল, বাড়ছে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা গাংনী বাসস্ট্যান্ডে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে পুঁজি করে এগিয়ে যাচ্ছেন কুষ্টিয়ার নারী উদ্যোক্তারা ইউনুসের ৭ হাজার নতুন মাল্টিমিলিয়নেয়ার হিসাব, নৈতিক রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি এবং ক্ষমতার সমাজতত্ত্ব স্থানীয় সরকার নির্বাচন/গণতন্ত্রের নতুন পরীক্ষা চলমান প্রকল্পের কাজ সরকারি বিধি অনুসারে নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে হবে: ইবি উপাচার্য রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ/ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে স্পিকার

করোনা/খুলনা বিভাগে আক্রান্ত ৫০০, শীর্ষে যশোর,সর্বনিম্নে মেহেরপুর

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
খুলনা বিভাগে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিনই পাওয়া যাচ্ছে বিভাগের ১০ জেলার কোন না কোন জেলায়। গতকাল (২৯ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০ জেলার সর্বশেষ রির্পোটে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০০ জন। এরমধ্যে ইতোমধ্যে মারা গেছেন ৮ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৯২ জন ও সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন ১৯৭ জন।
শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর এ তথ্য জানায়।
এতে দেখা যায়, শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বিভাগে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৪৭৬ জন। সন্ধ্যায় খুমেকের পিসিআর ল্যাবে ৬ জন ও কুষ্টিয়া মেডিকেল করেজের পিসিআর ল্যাবে ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
খুলনায় শিল্পাঞ্চল পুলিশের একজন সদস্য (২০) আক্রান্ত হয়েছেন। ইতোমধ্যে তাকে খুলনা করোনা হাসপাতালে (ডায়াবেটিক হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়েছে। ঝিনাইদহের দুইজনের মধ্যে একজন সদরের, আরেকজন শৈলকূপা এলাকার। এছাড়া বাগেরহাট জেলার তিনজনের নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় তিনটি পিসিআর ল্যাব রয়েছে। এগুলো হলো, খুলনা মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাব, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাব ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব। বিভাগে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ১৯ মার্চ চুয়াডাঙ্গা জেলায়।
বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছে যশোরে জেলা ও সর্বনিম্নে রয়েছে মেহেরপুর জেলা। ইতোপূর্বে বিভাগের খুলনায় তিনজন, বাগেরহাটে দুইজন, নড়াইলে একজন, বাগেরহাটে একজন ও চুয়াডাঙ্গায় একজন করোনায় মারা গেছেন।
গত ১০ মার্চ থেকে বিভাগের বিভিন্ন জেলার কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল ৩৬ হাজার ৫৮ জনকে। এর মধ্যে কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ ১৪ দিন পার হওয়ার পর ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ২৯ হাজার ৭৮৮ জনকে। বাকিরা এখোনো কোয়ারেন্টিনে আছেন।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা বলেন, খুলনা বিভাগের প্রত্যেক জেলায় করোনায় মোকাবিলায় কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করছে। আক্রান্তদের উপসর্গের মাত্রা বেশি না থাকলে তাদের বাড়িতে চিকিৎসা করা হচ্ছে। আর উপসর্গ বেশি হলে হাসপাতালে এনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। যারা সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরছেন তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে হতকাল রাতে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক তাপস কুমার সরকার জানান কুষ্টিয়ায় এই হঠাৎ ক্রমবৃদ্ধি শনাক্ত বয়ের ব্যাপার। তিনি অন্য জেলা থেকে কুষ্টিয়ায় আগত মানুষদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়ার জন্য প্রশাসনকে আহবান জানান। তিনি জানান আন্তঃজেলা সংযোগ সৃষ্টির কারনের কুষ্টিয়ায় রোগী বাড়ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net