April 14, 2026, 1:01 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষামন্ত্রীর পাশেই বসে ‘চেয়ার’ হারানোর খবর: যবিপ্রবি উপাচার্যের হাসি-চাপা বিষাদ খুলনা বিভাগের ১০ জেলার কেন্দ্রসচিবদেরকে শিক্ষামন্ত্রী/ শুধু মন্ত্রী বদলালেই শিক্ষার মান বাড়বে না আনন্দে বরণ নতুন বছর—আজ পহেলা বৈশাখ কুষ্টিয়ায় আধ্যাত্মিক সাধক হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামি ২০০ জন ধর্মীয় উত্তেজনার পর কুষ্টিয়ায় বাউল শিল্পীর বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন—নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ভারত থেকে আমদানি করা তেলই আবার ভারতে পাচার—চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ২১২ লিটার ডিজেল জব্দ খুলনা বিভাগে হাম উপসর্গে আক্রান্ত হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ১০ কুষ্টিয়া ১১ দলের বিক্ষোভ সমাবেশ, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন,জ্বালানি তেলের সংকট দূর করার দাবি কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা ও মাজার ভাঙচুর/ গুজব, ক্ষোভ ও বিভক্ত জনমত ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে কুষ্টিয়ায় মাজারে হামলা, পুলিশের উপস্থিতিতেই পিটিয়ে হত্যা

এখনো ছাপা বাকি ২ কোটির বেশি বই, গড়াতে পারে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
বই ছাড়াই স্কুল শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাসে নিয়ে আসছে দেশের বিভিন্ন এলাকার শতশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কোথাও পুরোন বই ধরে কোথাও অনলাইন থেকে টুকটাক ডাউনলোড করে ক্লাসে কথা বলছেন শিক্ষকরা। ইংরেজী ভার্সন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে সবথেকে বাজে অবস্থায়। ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও ইংরেজী ভার্সনে কোন বই পেীঁছাইনি প্রতিষ্ঠানগুলোতে।
বলা হচ্ছে এখনো দুই কোটির বেশি বই মুদ্রণই হয়নি। এর মধ্যে মাধ্যমিক স্তরের বই সোয়া দুই কোটি এবং প্রাক-প্রাথমিক স্তরের এক লাখ ১০ হাজার। সমস্যার মুলে রয়েছে কাগজ সংকট।
জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি সংকট তৈরি হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রমের বই নিয়ে। প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বইয়ের কারিকুলাম পরিবর্তন হওয়ায় পুরোনো বই পড়ানো যাচ্ছে না বলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বইয়ের জন্য এক ধরনের হাহাকার তৈরি হয়েছে। কবে নাগাদ সব বই পাওয়া যাবে তা কেউ বলতে পারছে না।
যদিও এনসিটিবিরই আরেকটি সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) পর্যন্ত প্রাথমিকে আট কোটি ৫০ লাখ আর মাধ্যমিকে ২১ কোটির ২০ লাখ বই সরবরাহ করা হয়েছে। গত তিনদিনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের আরও ৪০ লাখ বই চলে গেছে। সেই হিসাবে এখনো দুই কোটির বেশি বই পৌঁছানো বাকি রয়েছে। এবার সরকার সারাদেশে প্রায় ৩৩ কোটি ৯০ লাখ বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ করবে।
মুদ্রণ সংশ্লিষ্টরা জানান, পাঠ্যবই সরবরাহে মধ্য ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। এজন্য বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা অতিরিক্ত এক থেকে দুই মাস সময় চেয়েছে। এর মূল কারণ কাগজ সংকট। সবচেয়ে বেশি বই আটকে আছে এমন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বারোতোপা, অগ্রণী, ভয়েজার, দশদিশা, এসআর, প্রমাসহ অন্তত ২৪ প্রতিষ্ঠানের নাম পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখানো যারা বই দিতে পারেনি তাদের এ মাসের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে। এর বাইরে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না। এরপরও যারা দেরি করে বই দেবে, তাদের ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net