June 18, 2026, 7:15 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
দৌলতদিয়ায় এসবি বাস দুর্ঘটনার তদন্ত/ বাসের যান্ত্রিক ত্রুটি, ফিটনেস না থাকা, ঘাট অব্যবস্থাপনা দায়ী হঠাৎ মন্ত্রীর আগমন, উন্মোচিত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাপের আক্রমণ বাড়ছে, ২ সপ্তাহে কামড় ৮ জনের, মৃত্যু ১ মেসির হ্যাটট্রিকে দাপুটে জয়, বিশ্বকাপ অভিযান শুরু আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় সরকার—তথ্যমন্ত্রী তীব্র ইস্যুতে সংসদে বিরোধী দলের নীরবতা: কৌশল, সীমাবদ্ধতা নাকি দায়িত্বহীনতা? হত্যা মামলায় জামিন পেলেন অধ্যাপক আবুল বারকাত, কারামুক্তিতে বাধা নেই কুষ্টিয়ায় চিকিৎসকের অপেক্ষায় তালাবদ্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সেবা না পেয়ে ফিরে যান গ্রামের মানুষ তদন্তে মেলেনি জামায়াত নেতার জমির দাবির সত্যতা, সামনে এলো চাঁদা দাবির অভিযোগ পুশইন-পুশব্যাক/ সীমান্তে মানবিক সংকট, কূটনৈতিক উদ্যোগই সমাধানের পথ

৬ মাসে অ্যালকোহল থেকে কেরুর আয় ২৩৩ কোটি টাকা, উৎপাদন বাড়াতে প্রকল্প

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
অ্যালকোহল বিক্রি করে দেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কেরু অ্যান্ড কোম্পানি(বাংলাদেশ) ৬ মাসে (জুলাই ২০২২ থেকে ২০২২ ডিসেম্বর) আয় করেছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এটা আগের বছরের একই সময়ের থেকে ২১ শতাংশ বেশী।
কোম্পানীটির একটি অভ্যন্তরীণ অডিট রির্পোট থেকে এরকম তথ্য পাওয়া গেছে।
কোম্পানির তথ্য মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মদ বিক্রিতে আয় হয়েছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আয় হয়েছিল ১৯২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় ৪০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি আয় হয়েছে। শতাংশের হিসাবে বেড়েছে ২১ শতাংশ।
এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে পুরো সময়ে সর্বোচ্চ মদ বিক্রির রেকর্ড ছিল কোম্পানীটির। সেই সময়ে কোম্পানি আয় করে ৪২৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ওই বছর রাজস্ব আদায় ও কোম্পানি পরিচালনাসহ সব খরচ বাদে কোম্পানি প্রকৃত মুনাফা করে ৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তার আগের ২০২০-২১ পুরো অর্থবছরে মদ বিক্রিতে আয় হয়েছিল ৩১৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকৃত মুনাফা হয়েছিল ১৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।
কোম্পানীটির কর্মকর্তারা বলছেন চলতি মৌসুমে এই আয় আরও বাড়বে। কারন প্রতিষ্ঠানটি একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়িয়েছে একই সাথে দেশজুড়ে বাড়িয়েছে বিক্রয় ও বিক্রয় কেন্দ্র।
দেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানার ৮৪ বছরের পুরোন একমাত্র অ্যালকোহল উৎপাদনকারী কেরু মোট ৯টি ব্যান্ডের মদ উৎপদন করে এগুলো হচ্ছে- ইয়েলো লেবেল মল্টেড হুইস্কি, গোল্ড রিবন জিন, ফাইন ব্র্যান্ডি, চেরি ব্র্যান্ডি, ইম্পেরিয়াল হুইস্কি, অরেঞ্জ কুরাসাও, জারিনা ভদকা, রোসা রাম ও ওল্ড রাম। এগুলোর দু’একটি ছাড়া প্রায় সবগুলোই বাজারে থাকে নিয়মিত।
কোম্পানীর হিসেব অনুয়ায়ী, প্রতিমাসে প্রায় ২১ হাজার কেসেরও বেশি মদ বিক্রি করছে কেরু। প্রতিষ্ঠানটি ১৭৫ মিলিলিটার, ৩৭৫ মিলিলিটার ও ৭৫০ মিলিলিটারের বোতলে মদ বাজারজাত করে। একটি কেসে ৭৫০ মিলিলিটারের ১২টি, ৩৭৫ মিলিলিটারের ২৪টি এবং ১৭৫ মিলিলিটারের ৪৮টি মদের বোতল থাকে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন কেরুর উৎপাদিত মদ বিক্রির পরিমাণও বেড়েছে। গত বছর কোম্পানী প্রতি মাসে গড়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার কেস বিক্রি করেছিল। বিগত ৬ মাসে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।
সারা দেশে কেরুর ১৩টি ওয়্যারহাউস ও ৩টি বিক্রয়কেন্দ্র ছিল। বর্তমানে কক্সবাজারে একটি নতুন বিক্রয় কেন্দ্র চালু হয়েছে।
এ ছাড়া রূপপুর ও কুয়াকাটায় ১টি করে বিক্রয় কেন্দ্র এবং রাজশাহী ও রামুতে ১টি করে ওয়্যারহাউস নির্মাণের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও করেছে কেরু।
বিভিন্ন সূত্র বলছে, বর্তমানে বিদেশি মদ আমদানিতে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও বিক্রি দুটোই বেড়েছে।
কেরুর কর্মকর্তারা বলছেন চুয়াডাঙার দর্শনায় অবস্থিত কারখানা আরও উৎপাদনে সক্ষম। বর্তমানে উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে উৎপাদন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ নিয়ে ১০২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের কাজ চলমান।
কেরুর সূত্রগুলো জানায়, মদের পাশাপাশি ভিনেগার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সার, চিনি ও গুড়ের মতো অন্যান্য পণ্যও উৎপাদন করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।
কেরুর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন জানান, কেরুর উৎপাদন আর্ন্তজাতিক মানের। দেশী বাজারে চাহিদা প্রতিমহিুর্তেই বাড়ছে। তিনি জানান এটির আরও আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আর্কষণ করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net