July 28, 2026, 6:39 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার নিয়োগের অধিকার বনাম জনগণের প্রত্যাশা /সমন্বয় সাধনই সর্বোত্তম পন্থা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপ- উপাচার্য ও ট্রেজারার, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অভিনন্দন পদ্মা সেতুতে ইলেকট্রনিক টোল আদায় ১০ কোটি টাকা ছাড়াল, বাড়ছে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা গাংনী বাসস্ট্যান্ডে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে পুঁজি করে এগিয়ে যাচ্ছেন কুষ্টিয়ার নারী উদ্যোক্তারা ইউনুসের ৭ হাজার নতুন মাল্টিমিলিয়নেয়ার হিসাব, নৈতিক রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি এবং ক্ষমতার সমাজতত্ত্ব স্থানীয় সরকার নির্বাচন/গণতন্ত্রের নতুন পরীক্ষা চলমান প্রকল্পের কাজ সরকারি বিধি অনুসারে নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে হবে: ইবি উপাচার্য রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ/ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে স্পিকার

ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়/ চাকুরীর দাবিতে অফিসে তালা, বাসাতেই অফিস করছেন উপাচার্য

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে ঝুলিয়ে দেয়া তালা দু’দিনেও খোলা যায়নি। অগত্যা বাসাতেই অফিস করছেন উপাচার্য।
গত সোমবার এই তালা ঝোলান ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের বেশ কিছু সাবেক ছাত্র যারা সবাই বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে পড়াশোনা করতেন ও বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ছিলেন। তারা বিশ^বিদ্যালয়ে চাকুরী চান।
চাকরীর দাবিতে সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাদের আন্দোলন চলছে বিগত তিন বছর ধরে।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, সাবেক উপাচার্য প্রফেসর হারুন-উর-রশিদ আসকারীর আমলে (২০১৬-২০২০) প্রায় দুইশ জনকে বিশ^বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর বিভিন্ন পদে প্রায় দুই শতাধিক কর্মী নিয়োগ দিয়ে যান ‘ডে লেবার’ ভিত্তিতে বিশ^বিদ্যালয়ের সরকারী বরাদ্দ থেকে এক ধরনের ‘েথাক-বরাদ্দ’ দিয়ে তাদের মজুরী পরিশোধের ব্যবস্থা করে। এই ব্যবস্থা বিশ^বিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণকারি প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের (ইউজিসি) আইন পরিপন্থী হওয়ায় ইউজিসি আপত্তি দেয়। পরে পতন ঘটলে ২০২০ সালে নতুন প্রশাসন এসে এ ধরনের অনিয়মতান্ত্রিক অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করে দেয়। ফলে মজুরী হারিয়ে আন্দোলনে নামে ঐ সকল কর্মীরা।
ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, মাঝে মধ্যেই তারা ক্যাম্পাসে এসে বিভিন্নভাবে আন্দোলন তৈরি করার চেষ্টা করে থাকে।
সম্প্রতি গত ১৪ ফেব্রæয়ারি বিশ^বিদ্যালয়ে একজন ছাত্রীকে ‘নির্যাতনের’ অভিযোগ উত্থাপিত হবার পর ক্যাম্পাসে অস্থিরতা তৈরি হয়। এর মধ্যে গত রবিবার উপাচার্যের নিয়োগ অনিয়ম সংক্রান্ত কয়েকটি অডিও প্রকাশ হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যে এই চাকুরী প্রত্যাশীরা গত সোমবার (২০ ফেব্রæয়ারি) ক্যাম্পাসে অনুপ্রবেশ করে একই দাবিতে উপাচার্য অফিসে তারা ঝুলিয়ে দেয়।
এই ঘটনার নেতৃত্ব দেয় রাসেল জোয়ার্দ্দার ও মিজানুর রহমান টিটু। এরা দুজনেই বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও ছাত্রলীগ নেতা। দুজনেই থোক বরাদ্ধে ডে-লেবার হিসেবে কাজ করতেন।
সোমবার তালা দেয়ার পর মঙ্গলবার তালা ভেঙে ফেলা হয়। পরে আজ (বুধবার) সকালে আবার তারা তালা ঝুলিয়ে দেয়।
বিশ^বিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর শাহাদৎ হোসেন আজাদ জানান তারা শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করছেন। তারা চাকুরী প্রত্যাশায় আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করা যায় কিভাবে সেটা খুঁজছেন।
বিশ^বিদ্যালয়ের হিসাব শাখার উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান যে প্রক্রিয়ায় এই ডে-লেবার নিয়োগ দিয়ে সরকারী অর্থে ব্যয় সেটানো হচ্ছিল সেটা অনিয়ম ছিল। সেটা কোনভাবেই ইউজিসি মেনে নেয়নি। যার কারনে এটা বাতিল করেছে প্রশাসন।
বিশ^বিদ্যালয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভ‚ঁইয়া জানান সরকারী নিয়মের মধ্যে পড়ে না এমন অর্থ ব্যয়ের কাজ কিভাবে অব্যাহতভাবে করা সম্ভব ? বর্তমান প্রশাসন খুবই আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছে।
উপাচার্য প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম জানান চাকুরী পেতে হলে তার নিয়মতান্ত্রিক পথ রয়েছে। তারা আমার সাথে অনেকবার বসেছেন আমি বলেছি তারা যেহেতু একটি পরিস্থিতিতে ছিলেন। তাদেরকেই সহানভুতি আদায় করে নিতে হবে। কিন্তু তারা বিশ^বিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এটা অনুচিত। তিনি সবাইকে সঠিক পন্থায় দাবি দাওয়া প্রদানের অনুরোধ জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net