June 10, 2026, 5:23 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
চিকিৎসা-সেবা-বাণিজ্য/ আদ-দীন বিতর্ক প্রশ্ন তুলছে স্বাস্থ্যসেবার বাজারে রোগীর অবস্থান কোথায়? ঝিনাইদহ/যখন একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই ‘গুরুতর অসুস্থ’ হয়ে পড়ে! ইউনূস সরকারের সময়কার অধ্যায় পেরিয়ে নতুন সম্পর্কের দিকে ঢাকা-দিল্লি : তথ্য উপদেষ্টা নিয়ন্ত্রণহীন রেস্তোরাঁ বাজার/ দাম বাড়ছে একই, কিন্তু প্রতিদিন ছোট হচ্ছে গ্রাহকের প্লেট কুষ্টিয়ায় চিরকুট লিখে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা/এনজিও ঋণ ও প্রবাসজীবনের চাপের নীরব ট্র্যাজেডি সংবাদ বিশ্লেষণ/১১ জেলায় বিজিবির সঙ্গে আনসার বাহিনী দিয়ে সীমান্তে নতুন নিরাপত্তা বলয়, বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব পোড়াদহ জংশন থেকে অপহৃত ৩ শিশু ঢাকায় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ এবারও আদালত গ্রহণ করলো না ইউনূস-নূরজাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা অধ্যাপক আবুল বারকাতের শর্ত সাপেক্ষ জামিন বাজারের আগুন, মধ্যবিত্তের দীর্ঘশ্বাস/ সরকার কি পরিস্থিতির গভীরতা বুঝতে পারছে?

ভারত দেশ জুড়ে ১৭ মে পর্যন্ত বাড়ল লকডাউন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন ডেস্ক//*/

ভারত দেশ জুড়ে আরও বাড়ল লকডাউনের মেয়াদ। তৃতীয় দফায় আরও ১৪ দিনের জন্য লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করল সে দেশের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই চোদ্দ দিনে কোন কোন ক্ষেত্রে কী ধরনের কার্যকলাপ চলবে অথবা চলবে না, তা নিয়েও কেন্দ্র এ দিন নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে।
গোটা দেশ জুড়ে জোন নির্বিশেষে কিছু বিষয়ের উপর সম্পূর্ণ বিধিনিষেধ জারি থাকছে। যেমন, বিমানে, ট্রেনে, মেট্রোয় যাতায়াত, সড়ক পথে এক রাজ্য থেকে আর এক রাজ্যে যাতায়াত। স্কুল, কলেজ, অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, হোটেল, রেস্তরাঁ, ধাবা বন্ধ থাকবে। সিনেমা হল, মল, জিম, স্পোর্টস কমপ্লেক্সের মতো যে সব জায়গায় বড়সড় জমায়েত হয়, সে গুলো বন্ধ থাকবে। সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় জমায়েত করা যাবে না। ধর্মস্থান বা উপাসনা স্থলে জমায়েত করা যাবে না। যদিও নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমতিক্রমে বিমান, রেল বা সড়ক পথে যাতায়াত করা যেতে পারে।
দেশের যে জেলাগুলিতে এক বা একাধিক নগর নিগম এলাকা রয়েছে, সেই জেলাগুলির জন্য আলাদা কৌশল নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। নগর নিগম এলাকায় জনঘনত্ব বেশি থাকার কারণে সংক্রমণের আশঙ্কা ওই সব এলাকায় বেশি থাকে। কিন্তু নগর নিগমের বাইরে ওই জেলার যে সব এলাকা রয়েছে, জনঘনত্ব কম হওয়ায় সেইসব এলাকায় সংক্রমণ কমও হতে পারে। তাই ওই সব জেলাকে দু’টি জোনে ভাগ করে দেওয়ার সংস্থান কেন্দ্রীয় নির্দেশিকায় রাখা হয়েছে। নগর নিগম এলাকা একটি জোন, তার বাইরের এলাকা আর একটি জোন— এ ভাবে ভাগ করা যেতে পারে। যদি দেখা যায় যে, নগর নিগমের বাইরে থাকা এলাকায় ২১ দিন ধরে কোনও নতুন সংক্রমণের খবর নেই, তা হলে ওই অঞ্চলকে বিভাজনের শ্রেণিতে এক ধাপ নামিয়ে দেওয়া যাবে। অর্থাৎ নগর নিগম এলাকা যদি রেড জোন হয়, তা হলে তার বাইরের এলাকাকে অরেঞ্জ জোন ঘোষণা করা যাবে। নগর নিগম অরেঞ্জ জোন হলে, বাইরের এলাকাকে গ্রিন জোন ঘোষণা করা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net