August 30, 2026, 9:58 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
গাংনীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা মামলার মূল দুই অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেফতার জুলাই শহীদ ও গুমের শিকার পরিবারের আরও ৭৪ সদস্য পেলেন চাকরি চুয়াডাঙ্গায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন রুটে যাত্রী ভোগান্তি মেহেরপুরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দুই শিক্ষকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে কুষ্টিয়ায় পদ্মাপাড়ে প্রশাসনের লাল পতাকা নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস: নিহত ১৭৭, নিখোঁজ ১,৩৮৪ মেহেরপুরে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে যুবতীর কব্জি কেটে নিল যুবক আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট/শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাসস্থান ও ভবনের ব্যবহার নিয়ে কিছু প্রশ্ন ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা/বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়?

গঙ্গার পানিবণ্টন/পদ্মায় ভারতীয় প্রতিনিধিদলের পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ শুরু

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
এ বছরও গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি অনুযায়ী বছরের প্রথম দিন থেকেই দুই দেশের যৌথ নদীর পানি পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে বাংলাদেশ ও ভারত।
সোমবার সকালে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানি পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে ভারত সরকারের মনোনীত দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল। একইসঙ্গে ৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ফারাক্কা পয়েন্টে গঙ্গার পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপ শুরু করেছে।
পাবনা আঞ্চলিক হাইড্রোলজি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশনের (সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন) নির্বাহী প্রকৌশলী অঙ্কিত দুদেজা ও সহকারী পরিচালক মুকেশ কুমার শর্মার নেতৃত্বে পর্যবেক্ষক দল পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টের ৪ হাজার ৫০০ ফিট উজানে পানি পরিমাপ শুরু করেছে।’
অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষে যৌথ নদী কমিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াদুর রহমানের নেতৃত্বে উজানে ভারতের ফারাক্কা পয়েন্টে পানি পরিমাপ শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
১৯৯৬ সালের ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সই করা গঙ্গার পানি চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দুই পয়েন্টে পদ্মার পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি ১০ দিন পরপর পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। ফারাক্কা পয়েন্টে প্রথম ১০ দিন ৭০ হাজার কিউসেক বা কম পানি থাকলে দুই দেশ ৫০ শতাংশ করে পানির হিস্যা পাবে। দ্বিতীয় ১০ দিন ৭০-৭৫ হাজার কিউসেক পানিপ্রবাহ থাকলে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে এবং অবশিষ্ট পানি ভারত পাবে।
শেষ ১০ দিন ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি পানি থাকলে, ভারত ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে এবং অবশিষ্ট পানি পাবে বাংলাদেশ।
তবে ১১ মার্চ থেকে ১০ মে পর্যন্ত ১০ দিন পরপর বাংলাদেশ ও ভারত পর্যায়ক্রমে ৩৫ হাজার কিউসেক করে পানি পাবে।
পাবনা হাইড্রোলজি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, ‘এ বছর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ গত বছরের চেয়ে অনেক কম। গত বছর জানুয়ারির প্রথম ১০ দিন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ ছিল ৮৫ হাজার কিউসেকের বেশি। এ বছর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে ৮০ হাজার কিউসেক পানিপ্রবাহ রয়েছে।’
‘উজানে কম বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবার গঙ্গায় পানিপ্রবাহ কম। এ কারণে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ গত বছরের চেয়ে কম,’ বলেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net