June 11, 2026, 1:55 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
চিকিৎসা-সেবা-বাণিজ্য/ আদ-দীন বিতর্ক প্রশ্ন তুলছে স্বাস্থ্যসেবার বাজারে রোগীর অবস্থান কোথায়? ঝিনাইদহ/যখন একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই ‘গুরুতর অসুস্থ’ হয়ে পড়ে! ইউনূস সরকারের সময়কার অধ্যায় পেরিয়ে নতুন সম্পর্কের দিকে ঢাকা-দিল্লি : তথ্য উপদেষ্টা নিয়ন্ত্রণহীন রেস্তোরাঁ বাজার/ দাম বাড়ছে একই, কিন্তু প্রতিদিন ছোট হচ্ছে গ্রাহকের প্লেট কুষ্টিয়ায় চিরকুট লিখে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা/এনজিও ঋণ ও প্রবাসজীবনের চাপের নীরব ট্র্যাজেডি সংবাদ বিশ্লেষণ/১১ জেলায় বিজিবির সঙ্গে আনসার বাহিনী দিয়ে সীমান্তে নতুন নিরাপত্তা বলয়, বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব পোড়াদহ জংশন থেকে অপহৃত ৩ শিশু ঢাকায় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ এবারও আদালত গ্রহণ করলো না ইউনূস-নূরজাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা অধ্যাপক আবুল বারকাতের শর্ত সাপেক্ষ জামিন বাজারের আগুন, মধ্যবিত্তের দীর্ঘশ্বাস/ সরকার কি পরিস্থিতির গভীরতা বুঝতে পারছে?

শেষবার এমপি আনোয়ারুলের মোবাইল লোকেশন ছিল ঝাড়খন্ডে

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
ভারতে চিকিৎসা করতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজিম আনারের শেষবার ভারতের ঝাড়খন্ডে মোবাইল লোকেশন পাওয়া গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন, নিখোঁজ সম্পর্কিত যে অভিযোগ পত্রে সংসদ সদস্যদের যে দুইটি ফোন নাম্বার দেওয়া হয়েছিল সেই নাম্বার ট্রেস করে ঝাড়খন্ডের মুজাফফরপুরে তার লোকেশন পাওয়া যায়। এছাড়া যে গাড়িতে ওই সাংসদ উঠেছিলেন সেই গাড়ির চালককে জিজ্ঞাসা করেও কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। যদিও তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু জানাতে চান নি ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
গত ১২ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুর থানার অন্তর্গত ১৭/৩ মণ্ডল পাড়া লেনের বাসিন্দা এবং আনোয়ারুল আজিমের দীর্ঘদিনের পরিচিত গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে এসে ওঠেন। মূলত ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ওই বন্ধুর বাড়িতে যান আনার।
এরপর গোপাল বিশ্বাসের পরিবার সূত্রে জানা যায়, পরদিন ১৩ মে দুপুরে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে তিনি বেরিয়ে যান। কিন্তু সন্ধ্যা বেলায় ফেরার কথা থাকলেও তিনি আর ফিরে আসেননি। উল্টো দিল্লি গিয়ে সেখান থেকে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ করে জানান তাকে আর ফোন করতে হবে না, দরকারে তিনি ফোন করে নেবেন গোপাল বিশ্বাসকে। কিন্তু এরপর থেকে আর কোনভাবেই তাকে ফোনে পাওয়া যায় নি। গত ১৮ মে, শনিবার বরাহনগর থানায় একটি নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন গোপাল বিশ্বাস। অভিযোগ পেয়ে বরানগর থানা তদন্তে নামে। কিন্তু নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করার পর প্রায় ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনো পর্যন্ত কোনো হদিস পাওয়া যায় নি।
এদিকে সোমবারও গোপাল বিশ্বাসের ব্যক্তিগত দুইটি মোবাইল নাম্বারে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোন উত্তর মেলেনি। কলকাতাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন সর্বোতোভাবে সচেষ্ট বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের মুখ্য প্রেস সচিব রঞ্জন সেন জানান, ইতোমধ্যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, কলকাতা পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তারা যেসব তথ্য পাচ্ছে তার সবই বিশ্লেষণ করে দেখছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net