August 25, 2026, 11:12 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা/বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ

বড় সময় ধরে আবহাওয়া বিরূপ/মেহেরপুরে আম-লিচু উৎপাদন কমার আশঙ্কা

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
দেশে একটি বড় সময় ধরে চলা তাপপ্রবাহের প্রভাব মেহেরপুরে আম ও লিচুর উপর। অন্য বছরের তুলনায় উৎপাদন কম হওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষীরা। বিষয়টি স্বীকার করেছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

চাষী ও বাগান মালিকদের তথ্য মতে, অন্য বছরের তুলনায় এমনিতেই মুকুল এসেছে কম। যতটুকু আম ও লিচুর গুটি মৌসুমের শুরুতে দেখা গিয়েছিল, তাপপ্রবাহে অধিকাংশ ঝরে পড়েছে। গাছে স্প্রে ও সেচ দিয়েও সুফল মিলেনি।
মেহেরপুরের হিমসাগর, ল্যাংড়া, বোম্বাই, ফজলিসহ গুটি জাতের আমের সুখ্যাতি রয়েছে। এখানকার উৎপাদিত আম রফতানি করা হয় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। অন্যদিকে বোম্বাই, চায়না ও গুটিসহ বিভিন্ন জাতের লিচুরও চাষ হয় এ জেলায়।
মেহেরপুর কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৩২৩ হেক্টর আমের বাগান তালিকাভুক্ত হয়েছে। লিচুর বাগান রয়েছে ৭১২ হেক্টরে। এর বাইরেও বিভিন্ন বাড়িতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে আম-লিচুর বাগান।
জেলার নিয়মিত আম ও লিচু চাষ করে আসছেন আলমগীর ভ‚ঁইয়া। তিনি জানান, এ বছরে বলেন, তার পাঁচ বিঘা আমের বাগান রয়েছে। দেড় বিঘা জমিতে রয়েছে লিচু। তিনি জানান, আমবাগানের বেশির ভাগ গাছেই এবার আম নেই। কারন তাপপ্রবাহে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। এই কৃষকের লিচুর অবস্থাও করুণ। পর্যাপ্ত লিচু এলেও শেস পর্যন্ত গুটি থাকেনি। ক্ষেত্র বিশেষে, গাছেই শুকিয়ে গেছে লিচু।
তিনি জানান, বোরো মৌসুম হওয়ায় ধানের জমিতে সেচ দেয়া নিয়ে বেশী ব্যস্ত সেচ পাম্প মালিকরা। যদিও অল্প সেচ দেয়ার সুযোগ হচ্ছে। কিন্তু তাপপ্রবাহের কারণে তা কাজে আসেনি।
গাংনী উপজেলার আরেক ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান জানান, ‘মুকুল আসার আগেই প্রতি মৌসুমে তিনি ১৫/২০ বিঘা আমবাগান ক্রয় করে থাকেন। এবার যথাযথভাবে সেচ, সার ও স্প্রে করার পর দেখতে পান গাছে মুকুলই আসেনি। লোকসানের প্রবল তাকে প্রতিমুর্হুত তাড়া করে ফিরছে। এছাড়া এবার তার লিচুর বাগান ক্রয় করা ছিল প্রায় পাঁচ বিঘা। সেখানে কিছু ফল এলেও অতিরিক্ত তাপে গুটি ঝরে গেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার জানান, ‘মেহেরপুর ফল উৎপাদনের দিক দিয়ে বরাবরই উন্নত মাটির জেলা। তার হিসেব মতে, অন্য বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে প্রথম দিকে প্রায় ৩০ শতাংশ গাছে আমের মুকুল আসেনি। উৎপাদন সেই পরিমাণ কম হবে।
যে সমস্যায় কৃষকরা পড়েছেন সেটা দেশজুড়েই বলে জানান এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন তার দপ্তর এ বিষয়ে কৃষকদের যথাযথ পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net