June 27, 2026, 7:30 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সংবর্ধনা / ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস পেঁয়াজের দামে হঠাৎ ধস, মন ভেঙে পড়েছে উৎপাদনে শীর্ষ দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরের ৭ জেলার কৃষকের এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক কেন করতে চায় ইসি? যেসব কারণে আসছে নতুন ভাবনা দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, আবার চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা কুষ্টিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ যুবক আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে সোপর্দ মেহেরপুর সীমান্তে ৭ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা, বিজিবির সতর্কতায় ব্যর্থ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কমেছে, স্বস্তির আভাস জ্বালানি বাজারে ধানমন্ডি ৩২-এ জামায়াতের মিছিল শেষে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ১ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা/ ১,২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত, হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন অগ্রগতি পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান পদে পূণঃনিয়োগ পেলেন বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক//
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান পদে পূণঃনিয়োগ নিয়োগ পেলেন বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। মহামান্য রাষ্ট্রপতির নির্দেশক্রমে ৩ মে এই নিয়োগাদেশ দেয়া হয়। এই নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকে (৩ মে) থেকে অব্যাহত থাকবে। হাসান ফয়েজ বর্তমানে আপিল বিভাগে সিনিয়র জজ।
হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী দেশের শীর্ষ আদালতে ৯০ এর দশকের এক অনন্য ডাকসাইটে আইনজীবী। তিনি আইনজীবিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন যার হাতে ছিল মামলার দীর্ঘ তালিকা। তিনি ২০ বছর ক্যারিয়ার আইন অনুশীলন করেন। এই সময়ে তিনি অত্যন্ত নিরপেক্ষতার সাথে নানা ধরনের মামলা পরিচালনা করেন। আইনের পক্ষে সত্য ও ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করতে ভুমিকা পালন করেন। কেউ কেউ তাঁকে কেবল একবার বা কখনও দেখেননি এমনকি তার নৈমিত্তিক পরিচিতরাও স্বজ্ঞাতভাবে জানেন: ফয়েজ একজন মহান আইনজীবীর চেয়ে বেশি ছিলেন; একজন মহৎ মানুষ।
হাসান ফয়েজের আইনজীবী জীবনের অধ্যায়টি শেষ ২০০১ সালে যখন তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের আওয়ামীলীগ সরকার তাকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসাবে নিয়োগ দেন। তারপরে ২০০৯ সালে তিনি ¯’ায়ী বিচারক হিসাবে নিযুক্ত হন। ২০১৩ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিয়োগ পান।
বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ১৯৫৬ সালে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার রমানাথপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। তাঁর শৈশবটি তাঁর প্রত্যন্ত গ্রামে কাটে যা একেবারে গড়াই নদীর তীর ঘেঁষে। তিনি গ্রামের আজইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। প্রাথমিক সমাপনের পরে তিনি খোকসা উ”চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৭২ সালে তিনি খোকসা সরকারী পাইলট উ”চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন।
তিনি সাতক্ষীরা আচার্য্য প্রফুল্ল কলেজে ভর্তি হন। ১৯৭৪ সালে তিনি এই কলেজ থেকে উ”চমাধ্যমিক পাস করেন।
তিনি সাতক্ষীরা কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৭৬ সালে স্নাতক পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি ১৯৭৮ সালে এমএ করেন।
তারপরে তিনি ধানমন্ডি ল কলেজে এলএলবিতে ভর্তি হন এবং ১৯৭৯ সালে আইন ডিগ্রি গহন করেন।
সফলভাবে পড়াশোনা শেষ করার পরে তিনি পেশাদার আইনজীবী হিসাবে তার ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নেন।
১৯৮১ সালে তিনি ঢাকা বারে যোগদান করেন এবং ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে আইনজীবী তালিকাভুক্ত হন।
তিনি বাংলাদেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসাবেও কাজ করেছেন।
তিনি দেশে বিদেশে বিচারকদের বিভিন্ন সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net