February 15, 2026, 5:22 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি/স্বাধীনতার পর প্রথম কুষ্টিয়ায় জামায়াতের জয়: ক্ষমতা কাঠামোর নতুন বাস্তবতা ভেদাভেদ ভুলে উন্নয়নের আহ্বান, বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে আমির হামজার সৌজন্য সাক্ষাৎ কুষ্টিয়া-৩ আসনে পরাজয়ের পর উত্তেজনা, বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার অভিযোগ দ্বিগুণ ভাড়াতেও নেই গাড়ি—পাটুরিয়া ঘাটে সহস্র যাত্রীর রাতভর অবরুদ্ধ অপেক্ষা পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিএনপির জয়যাত্রা: রাজনীতির দীর্ঘ পথরেখায় জামায়াত ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফলের সারসংক্ষেপ মেহেরপুরের দুই আসনেই দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর জয় নিরঙ্কুশ বিজয়ে দেশবাসীকে বিএনপির শুভেচ্ছা, উদযাপনে সংযমের নির্দেশ কুষ্টিয়ার চার আসনের তিনটিতে জামায়াত, একটিতে বিএনপির জয় ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসাদুজ্জামানের জয়

কতটুকু লভ্যাংশ দেয়া যাবে নির্ধারণ করে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ঢাকা ব্যুরো, দৈনিক কুষ্টিয়া/

মুলধন অনুযায়ী কতটুকু লভ্যাংশ দেওয়া যাবে তার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সবচেয়ে ভালো মূলধন থাকা ব্যাংক ১৫ শতাংশ নগদসহ সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে। তবে সব ক্ষেত্রে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লভ্যাংশ বিতরণের ওপর বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়।

সার্কুলারে বলা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে সৃষ্ট চাপ থেকে উত্তরণের জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহৎ শিল্প ও সিএমএসএমই খাতে সরকার ঘোষিত বিভিন্ন প্রণোদনা বাস্তবায়নে সহজে অর্থের সংস্থানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে দু’টি বড় পুনঃঅর্থায়ন স্কিম ঘোষণা করেছে। সামগ্রিকভাবে চাপ মোকাবেলা করে ব্যাংকগুলো যেন দেশের অর্থনীতিতে যথাযথ অবদান রাখতে পারে সে লক্ষ্যে মুনাফা অবন্টিত রেখে মূলধন শক্তিশালী করার মাধ্যমে পর্যাপ্ত তারল্য বজায় রাখা একান্ত অপরিহার্য। ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা এবং শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের রিটার্নের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ২০১৯ সালে ব্যাংকগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে এই নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিসেম্বর ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ১২টি ব্যাংকের ২২ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি ছিল। নানান ছাড় নিয়ে গতবছরের শেষ প্রান্তিকে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ ২১ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা কমে ৯৪ হাজার ৩৩১ কোটি টাকায় নেমেছে। তবে তা প্রকৃত আদায় না হওয়া এসব ঋণের বিপরীতে আগের মতোই ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন রাখতে হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং রীতির আলোকে ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকগুলোকে মূলধন রাখতে হয়। ব্যাসেল-৩ নীতিমালার আলোকে বর্তমানে একটি ব্যাংকের মোট ঝুঁকি ভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ অথবা ৪০০ কোটি টাকা, এর মধ্যে যেটি বেশি ন্যূনতম সে পরিমাণ মূলধন রাখতে হয়। এর বাইরে আপতকালীন সুরক্ষা সঞ্চয় বা কনজারবেশন বাফার হিসেবে ব্যাংকগুলোকে ২০১৬ সাল থেকে বছরে অতিরিক্ত নির্দিষ্ট হারে হারে মূলধন রাখতে হচ্ছে। এভাবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে আপতকালীন সঞ্চয়সহ প্রতিটি ব্যাংকের মূলধন হওয়ার কথা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের সাড়ে ১২ শতাংশ।

গত ডিসেম্বর শেষে বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোতে মূলধন সংরক্ষণের হার নির্ধারিত সীমার ওপরে থাকলেও সরকারি ব্যাংকের প্রভাবে সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতের মূলধন সংরক্ষণের হার দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net