June 10, 2026, 3:17 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ঝিনাইদহ/যখন একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই ‘গুরুতর অসুস্থ’ হয়ে পড়ে! ইউনূস সরকারের সময়কার অধ্যায় পেরিয়ে নতুন সম্পর্কের দিকে ঢাকা-দিল্লি : তথ্য উপদেষ্টা নিয়ন্ত্রণহীন রেস্তোরাঁ বাজার/ দাম বাড়ছে একই, কিন্তু প্রতিদিন ছোট হচ্ছে গ্রাহকের প্লেট কুষ্টিয়ায় চিরকুট লিখে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা/এনজিও ঋণ ও প্রবাসজীবনের চাপের নীরব ট্র্যাজেডি সংবাদ বিশ্লেষণ/১১ জেলায় বিজিবির সঙ্গে আনসার বাহিনী দিয়ে সীমান্তে নতুন নিরাপত্তা বলয়, বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব পোড়াদহ জংশন থেকে অপহৃত ৩ শিশু ঢাকায় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ এবারও আদালত গ্রহণ করলো না ইউনূস-নূরজাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা অধ্যাপক আবুল বারকাতের শর্ত সাপেক্ষ জামিন বাজারের আগুন, মধ্যবিত্তের দীর্ঘশ্বাস/ সরকার কি পরিস্থিতির গভীরতা বুঝতে পারছে? তিন বগি লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ বন্ধ

মেহেরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলার রায় মাত্র ২৯ কার্যদিবসে, আসামির মৃত্যুদণ্ড

সাইদ হাসান, মেহেরপুর /
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামে এক শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত শাকিল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আলোচিত এ মামলার বিচার কার্যক্রম মাত্র ২৯ কার্যদিবসের মধ্যেই সম্পন্ন হওয়ায় বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
রোববার (২৪ মে) দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও শিশু সহিংসতা দমন আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শাকিল হোসেন গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আব্দাল হাসানের ছেলে।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ জুন চাঁদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যদের জন্য খাবার নিয়ে মাঠে যাওয়ার পথে শিশুটিকে পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের পুরো ঘটনা জানায়।
ঘটনার পর শিশুটির বাবা গাংনী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-১৯, তারিখ ১৬ জুন ২০২৫।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত শাকিল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এদিকে অসুস্থ হয়ে পড়া শিশুটিকে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে কয়েকজন ভার্চুয়াল ভিডিও কলে এবং বাকিরা সরাসরি আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার সার্বিক তথ্য পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, তারা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net