October 27, 2026, 2:38 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে নয়, ১১ দলের সমাবেশ হবে আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে, শর্তসহ প্রশাসনের অনুমতি মাদ্রাসায় শিশু যৌন নির্যাতন: ৯ মাসে চিহ্নিত ১০৯ , বিচার ও সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ রোজার চার মাস আগেই বাজারে কারসাজি, তাহলে রোজায় কী হবে? খোকসায় অপহরণের সাত ঘণ্টা পর ব্যবসায়ী উদ্ধার জাহাজ কমলেও বাড়ছে পণ্য পরিবহন, পিছিয়ে কার্যকর সক্ষমতা; রেলপথের ব্যবহার, নাব্যতা ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান লালনের মানবতাবাদী দর্শন ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানে শেষ হলো তিন দিনের তিরোধান দিবসের আয়োজন অর্থ লেনদেনের কোন প্রশ্নই উঠে না, কুষ্টিয়া যুবদল সভাপতির সংবাদ সম্মেলন

পৌর কাউন্সিলরের নামে মামলা দিয়ে হুমকির মুখে শ্রমিক পরিবার

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/

কুষ্টিয়া পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মীর রেজাউল ইসলাম বাবুর নামে মামলা দিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন এক পরিবহন শ্রমিকের পরিবার। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পুলিশ দিয়ে হয়রানীমূলক অস্ত্র মামলা দেয়ার হুমকি দিচ্ছে- বলেছেন ওই শ্রমিক ও তার স্ত্রী। এ ব্যাপারে কিছু জানেন না- বলেছেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর মীর রেজাউল ইসলাম বাবু।

ঘটনাটি গত ২৮ এপ্রিলের। হামলার শিকার হন শহরতলীর জগতি কৃষকপাড়ার দেলোয়ার হোসেন ভোলা। ওইদিনই কুষ্টিয়া মডেল থানায় তার স্ত্রী মোছা মালেকা বিশ্বাসের করা এজাহার পর দিন মামলা হিসেব নেন কুষ্টিয়া মডেল থানা। নং ৫০।

এজাহারে বলা হয়, দেলোয়ার হোসেন ভোলা রূপসা পরিবহনের স্টাটার হিসেবে কাজ করেন। লকডাউনে গাড়ি বন্ধ থাকায় সে কুষ্টিয়া চৌড়হাস মোড়ে কিছু প্রাইভেট কার ও সিএনজিতে যাত্রী পরিবহনে সহায়তা করেন। সেখান থেকে পাওয়া সামান্য অর্থে চলছিল তার সংসার। এভাবে কয়েকদিন চলার পর ২৭ এপ্রিল সন্ধায় কুষ্টিয়া পৌরসভা ১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মীর রেজাউল ইসলাম বাবু তাকে অফিসে ডাকেন। প্রতিদিন ১ হাজার করে টাকা চাঁদা দাবি করেন তিনি। দেলোয়ার হোসেন টাকা দিতে অস্বীকার করায় পরের দিন ২৮ এপ্রিল দুপুর ১২ টার পর চৌড়হাস মোড়ে তার ওপর হামলা হয়। তিনদিন হাসপাতালে থেকে বাড়িতে ফিরেছেন দেলোয়ার। তিনি বলেন, কাউন্সিলর বাবু দাড়িয়ে থেকে তার লোক মীর জাকির হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন মিলে ধারালো হাসুয়া, লোহার রড ও বাটাম দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করে।

স্থানীয়রা তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান।

মামলার বাদী দেলোয়ারের স্ত্রী মোছা মালেকা বিশ্বাস বলেন, আসামীরা ক্ষমতাসীন হওয়ায় মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন মাধ্যমে চাপ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ২মে একজন অপরিচিত যুবক বাড়ির ওপর এসে বলে গেছেন- মামলা তুলে না নিলে তাদের ফাঁসানো হবে। আসামীরা মিটিং করেছে। তারা পুলিশকে দিয়ে দেলোয়ারকে মিথ্যা অস্ত্র মামলায় জেলে পাঠিয়ে দেবে।

দেলোয়ার হোসেন ভোলা বলেন, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। একটু সুস্থ হয়ে উঠলে হুমকির বিষেয়ে জিডি করবেন।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত কবির বলেন ইতিমধ্যে হামলায় সরাসরি অংশগ্রহন করা ৩ নং নং আসামী আরিফুল ইসলাম, ও ৭ নং আসামী বিল্টুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এছাড়া বাকী আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত আছে।

তবে, গ্রেফতারকৃত দুজনই আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছে।

এদিকে, কুষ্টিয়া পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মীর রেজাউল ইসলাম বাবু বলেন, আমাদের সঙ্গে তাদের কথাই হয় না। তার বাড়ি আমার বাড়ি থেকে এক মাইল দূরে। কীভাবে হামলা হলো। মামলার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি পরক্ষণেই বলেন, মামলা বা হুমকির বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net