September 22, 2026, 1:48 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্লেষণ/বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে কেন বাড়ল পদ্মার অববাহিকায় ইলিশের আকাল, হাহাকার জেলেদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার হাব স্থাপনের লক্ষ্যে ব্র্যাকের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ও আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন নতুন পে-স্কেল/ স্বস্তির অঙ্কের আড়ালে যে বড় প্রশ্নগুলো ইবিতে ‘সামাজিক সংকট নিরসনে আল-কুরআনের রূপরেখা’ শীর্ষক সেমিনার নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, কার্যকর ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিযুক্ত উপাচার্যদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইউট্যাবের সংবর্ধনা চার বছর পর গড়াইতে ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন, আজ দ্বিতীয় দিন—কাল সমাপনী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে IIER-এর ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

লকডাউনের মেয়াদ বাড়াবে ভারত, শিথিলও হবে কিছূ জায়গায়

দৈনিক কুষ্টিয়া ডিজিটাল ডেস্ক//এনডিটিভি

আবারও লকডাউনের মেয়াদ বাড়াতে যাচ্ছে ভারত। আগামী ১৭ মে বর্তমান মেয়াদ শেষ হলেও যেসব এলাকায় সংক্রমণের হার বেশি রয়েছে সেসব এলাকায় লকডাউন আরও কঠোর করা হতে পারে। তবে সংক্রমণের পরিমাণ কম থাকা এলাকাগুলোতে তা শিথিল করা হতে পারে। সোমবার (১১ মে) রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এক অনলাইন বৈঠকের পর এমন সিদ্ধান্ত।

করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে গত ২৫ মার্চ থেকে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই সময়ে খাবার ও ওষুধ কেনার মতো জরুরী প্রয়োজন ছাড়া নাগরিকদের ঘরের বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়। ২১ দিনের মেয়াদ শেষের পর দ্বিতীয় দফায় তা আবারও বাড়ানো হয়। পরে আরও এক দফা বাড়ানোর পর আগামী ১৭ মে বর্তমান মেয়াদের লকডাউন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সম্প্রতি কিছু কিছু ক্ষেত্রে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে ভারতের করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বর্তমানে প্রচলিত বিধিনিষেধে কোন ধরনের পরিবর্তন আনা যায় সেই বিষয়ে আগামী ১৫ মে’র মধ্যে পরামর্শ পাঠাতে মুখ্যমন্ত্রীদের অনুরোধ জানান তিনি। ভারতে যেসব এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার বেশি সেসব এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকার। এসব এলাকায় গণপরিবহন বন্ধ ও রাতের বেলায় কারফিউ আরোপের মতো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। এছাড়া যেসব এলাকায় আক্রান্ত পাওয়া যায়নি সেগুলোকে গ্রিন জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

লকডাউনের কারণে অচল হয়ে পড়া ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরু করতে আগ্রহী। সংক্রমিত অঞ্চল বাদ দিয়ে অন্যান্য অংশ খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এপ্রিলের শেষ দিকে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগের বৈঠকের পর ‘গ্রিন জোন’ ঘোষিত এলাকাগুলোতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সোমবার পর্যন্ত ভারতে ৬৭ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার ২০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর বর্তমান হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে আগামী ১৭ মে’র আগে আক্রান্তের সংখ্যায় চীনকেও ছাড়িয়ে যাবে ভারত।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net